আইপিএলে যেমন ছিল সাকিব-মুস্তাফিজের পারফরম্যান্স

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) এখনও শেষ না হলেও আইপিএলকে ঘিরে বাংলাদেশিদের উন্মাদনা অনেকটাই কমে গেছে। আইপিএলে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমানকে চলতি আসরে আর দেখা যাবে না। বিশ্বকাপ ব্যস্ততার আগে চতুর্দশ আসরে কেমন ছিল তাদের পারফরম্যান্স, তাতে চোখ বুলানোর যথার্থ সময়ই তাই এখনই। 

মুস্তাফিজ
মুস্তাফিজ ছিলেন রাজস্থানের পেস আক্রমণের নেতার ভূমিকায়। ফাইল ছবি

আইপিএল নিয়ে বাংলাদেশিদের উন্মাদনা কমে যাওয়ার কারণ- এবারের আসরে সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমানের পথচলা শেষ হয়ে গেছে একসাথে। মুস্তাফিজরা লিগ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলে ইতি টেনেছেন এবারের যাত্রার। সাকিবের দল কোয়ালিফায়ার পর্বে খেললেও সাকিবকে ফিরতে হবে জাতীয় দলের কাছে।

Advertisment

এবারই প্রথম মুস্তাফিজ আসরে দলের সবগুলো ম্যাচে খেলেছেন। চোটের কারণে রাজস্থান রয়্যালসের বেশ কয়েকজন তারকা মাঠে অনিয়মিত ছিলেন। পেস বোলিং আক্রমণের দায়িত্বটা তাই নিতে হয়েছে মুস্তাফিজকেই। তার বিচক্ষণ বোলিং আর মেধা কাজে লাগিয়ে রাজস্থানে অল্পদিনেই পেয়ে যান খ্যাতি ও ভালোবাসা।

দলীয় ব্যর্থতার ছাপ অবশ্য আছে মুস্তাফিজের এ বছরের পারফরম্যান্সের পরিসংখ্যানে। মোট ১৪ ম্যাচ খেলেছেন, তাতে শিকার করেছেন ১৪ উইকেট। দল আরও ভালো করলে মুস্তাফিজের পরিসংখ্যান আরও উজ্জ্বল থাকত, তা অন্তত তাদের কাছে স্পষ্ট যারা মুস্তাফিজের খেলা উপভোগ করেছেন। স্লগ ওভারে যেভাবে মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন, তাতে গোটা আসরেই মুস্তাফিজের বিচরণ অন্যতম আলোচিত বোলার হিসেবে।

আরও পড়ুন : টিভিতে দেখা যাবে ওমান ‘এ’ দল ও বাংলাদেশের প্রস্তুতি ম্যাচ

এবার মুস্তাফিজের সেরা বোলিং ফিগার ২০ রানের খরচায় ৩ উইকেট। গড়ে প্রতি ৩১.১৪ রানের খরচায় একটি করে উইকেট শিকার করেছেন তিনি। ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন ৮.৪১ করে। শেষ তিন ম্যাচে ছিলেন খরুচে, তা না হলে ইকোনমি রেট ও গড় আরও ভালো রাখার সুযোগ ছিল। ব্যাট হাতে মুস্তাফিজ নামতেন ব্যাটিং অর্ডারের শেষ প্রান্তে। একটি ম্যাচে ৮ রান করে অপরাজিত ছিলেন। টুর্নামেন্টে মুস্তাফিজের মোট রানও ৮।

আইপিএলে মুখোমুখি সাকিবের কলকাতা ও মুস্তাফিজের রাজস্থান
কলকাতাকে প্লে-অফের দৌড়ে রাখতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল সাকিবের। ফাইল ছবি

মুস্তাফিজের তুলনায় অনেক কম সুযোগ পেয়েছেন সাকিব। কলকাতার হয়ে এবারের আসরে খেলা হয়েছে পাঁচটি ম্যাচ। পরিসংখ্যান বলে দেওয়া যায় এক লাইনেই। তবে দলকে শেষ চারের দৌড়ে রাখতে সাকিবের ছিল বড় অবদান। লিগ পর্বের শেষ দুই ম্যাচে একাদশে ফিরে সাকিবই যেন বয়ে এনেছিলেন সাফল্যের হাওয়া।

৫ ম্যাচে সাকিব ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছেন মাত্র ৩ বার। সর্বোচ্চ ইনিংসটি ২৬ রানের। বরাবরের মত এবারও বেশি নজর কেড়েছেন বল হাতে। ইকোনমি রেট ছিল ৬.৮০। প্রতি ২৫.৫০ রান খরচায় শিকার করেছেন একটি করে উইকেট।

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।