Scores

‘আক্রমণ, আক্রমণ, আক্রমণ!’

২৩২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে থাকা অস্ট্রেলিয়ার স্কোর এক সময় ছিল দুই উইকেটে ১৪৪ রান। কিন্তু হঠাৎ সব এলোমেলো করে দেন দুই ইংলিশ পেসার ক্রিস ওকস আর জোফরা আর্চার। মাত্র তিন রানে চার উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচ শেষে ক্রিস ওকস জানালেন তখন আক্রমণ করা ছাড়া আর কিছুই ভাবছিলেন না তারা।

বিধ্বংসী ওকস-আর্চারে কাবু অস্ট্রেলিয়া

ইংলিশদের বোলিং আক্রমণের প্রধান দুই অস্ত্র ক্রিস ওকস আর জোফরা আর্চার নতুন বলে তুলেছিলেন গতির ঝড়। প্রথম দুই উইকেট এনে দিয়েছিলেন আর্চার। এরপর অ্যারন ফিঞ্চ আর মারনাস লাবুশানে মিলে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন। তাদের জুটি বড় হতে থাকলে উইকেটের জন্য মরিয়া অধিনায়ক ইয়ন মরগান ২৬ তম ওভার থেকে আবার আক্রমণে আনেন ওকস-আর্চার জুটি।

Also Read - শ্রীলঙ্কা সফর নিয়ে এসএলসিকে বিসিবির '২টি' শর্ত


এরপরেই নামে ধস। ওকস আর আর্চারের আগুনে বোলিংয়ে পুড়ে ছাই হয় অস্ট্রেলিয়া। লাবুশানেকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে দলকে ব্রেকথ্রু এনে দেন ক্রিস ওকস। এরপর অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ আর গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে বোল্ড করে অস্ট্রেলিয়াকে কোণঠাসা করেন ওকস।

ম্যাচশেষে ওকস বলেন, “তখন আমরা একটা ব্যাপারই ভাবছিলাম তা হলো ‘আক্রমণ, আক্রমণ, আক্রমণ।’ চেষ্টা করছিলাম যত বেশি সম্ভব উইকেট তুলে নেওয়ার। আমরা ক্রস সিম ব্যবহার করছিলাম যেন আমরা খানিকটা রিভার্স পাই এবং আমরা সেটা পেয়েছিও।” 

ইয়ন মরগান এতটাই আক্রমণাত্মক অধিনায়কত্ব করেছেন যে ৩৫ ওভারের মধ্যেই দলের দুই সেরা বোলারের দশ ওভারের ঘর পূরণ করেছেন। স্লগ ওভারের জন্য ভরসা রেখেছেন স্যাম কারানের ওপর। স্যাম কারান সেই ভরসার প্রতিদান দিয়েছেন ছয় ওভারের শেষ স্পেলে তিন উইকেট নিয়ে।

স্যামের প্রশংসা করে ওকস বলেন, “এটা সত্যি অবিশ্বাস্য। শেষ ১২ ওভারের মাঝে ৬ ওভার বোলিং করাটা কঠিন কাজ। সে তার স্নায়ুকে নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।”  

প্রথম ওয়ানডে ম্যাচটিও একই পিচে হয়েছিল। ব্যবহৃত পিচ হওয়ায় সেখানে বোলারদের খুব বেশি কষ্ট করতে হয়নি বলে জানান তিনি।

Related Articles

হাত ফসকে পড়া বল ‘ক্যাচ’ দিয়ে দিলেন আম্পায়ার

তিন পরাশক্তির বিপক্ষে ‘হোম অ্যাডভান্টেজে’ চোখ রিয়াদের

মার্শের পর আইপিএল থেকে সরে গেলেন হ্যাজলউড

‘জায়গা খালি নেই’, স্মিথকে ল্যাঙ্গার

বিয়ের পিঁড়িতে বসতে আইপিএল থেকে ছুটিতে জাম্পা