SCORE

সর্বশেষ

আত্মবিশ্বাসী শ্রীলঙ্কা দল

ঘরের মাঠে গত বিশ্বকাপের পর থেকেই অন্যরকম বাংলাদেশ। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা এর বিপক্ষে জিতেছে সিরিজ। ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এর বিপক্ষে টেস্ট জিতেছে।

সেই বাংলাদেশে এসে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ আর টেস্ট সিরিজ জিতে নিয়েছে শ্রীলঙ্কা।  তাতে করে যেটা হয়েছে, টানা দু’দুটি সিরিজ জয়ের টাটকা স্মৃতি প্রফুল্লতা বাড়িয়েছে লঙ্কান শিবিরে। বেশ চনমনে মেজাজে আছে লঙ্কান দলের ক্রিকেটাররা। সিরিজ জয় থেকে পাওয়া আত্মবিশ্বাস  কাজে লাগিয়েই ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিততে চায় বাংলাদেশের সাবেক কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের নতুন ছাত্ররা।

Also Read - তহবিল গঠনে বিশ্ব একাদশ এর বিপক্ষে নামবে উইন্ডিজরা

স্বাগতিকদের বিপক্ষে সিরিজ জিততে সফরকারী দলটি কতটা আত্মবিশ্বাসী তা আরও বেশি আঁচ করা গেল বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে আসা দলের ব্যাটসম্যান উপুল থারাঙ্গাকে দেখে। সংবাদমাধ্যম কর্মীদের প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন মারমার কাটকাট। ইংরেজী ভেঙ্গে ভেঙ্গে বললেও দলের উদ্দেশ্য জানাতে তার কণ্ঠ একবারও কেঁপে ওঠেনি। বরং ছিলেন বেশ প্রত্যয়ী। চোখেও ছিল আত্মবিশ্বাসের ঝলক।

এসেই বললেন, ‘ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজে আমরা ভালো খেলেছি। মূলত সেখান থেকেই আমরা টি-টোয়েন্টি জয়ের আত্মবিশ্বাসটি পাচ্ছি। তাছাড়া পুরো সিরিজের হাওয়া আমাদের অনুকূলে। আমরা তা বয়ে নিতে চেষ্টা করবো।’

বহুল আলোচনা-সমালোচনার উইকেট প্রসঙ্গ আসল এর পরেই। সেখানেও নির্ভার চান্দিমাল শিবির। ওয়ানডে ফরম্যাটের ত্রিদেশীয় সিরিজে শের-ই-বাংলার উইকেট ছিল মন্থর। প্রথম দিকে উইকেট বুঝে উঠতে সময় লাগায় টুর্নামেন্টটি হার দিয়ে শুরু করলেও শেষটা হয়েছে জয় দিয়ে।

এরপর টেস্ট সিরিজের শুরুতে সাগরিকার রান প্রসবা উইকেটে সাথে ম্যাচ ড্র করে দ্বিতীয়টিতে শের-ই-বাংলার চিরায়ত স্পিন ট্র্যাকে সাদা পোশাকে টানা দুই বছরের অপরাজেয় টাইগারদের আড়াই দিনে প্যাক করে দিল হেরাথ, ধনঞ্জয়াদের স্পিন ঘূর্ণি।

কাজেই টি-টোয়েন্টিতেও উইকেট নিয়ে ভাবনা বলতে তাদের কিছুই নেই। আছে শুধু জয়ের দুনির্বার আকাঙ্ক্ষা, ‘আশা করছি উইকেট ভালোই হবে। ওয়ানডেতে স্লো উইকেট ছিল। টেস্টে ঢাকায় স্পিন ট্র্যাক ছিল। আসলে উইকেট নিয়ে অযথা ভেবে লাভ নেই। ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে এটাই মূল ব্যাপার।’

উইকেট কিংবা ম্যাচ দুটোর কোনটি নিয়ে লঙ্কানদের কপালে চিন্তার ভাঁজ দেখা না গেলেও দিন শেষে অদৃশ্য একটি ভাবনা রেখা কিন্তু ঠিকই দেখা গেল।

সেটি আর কিছু নয়, টাইগারদের শক্তিমত্তা নিয়ে। ঘরের মাঠে দুর্বার দলটি যেকোন সময়ই লঙ্কাকাণ্ড ঘটিয়ে দিতে সক্ষম সেটা ভালো করেই জানেন এই লঙ্কান ব্যাটসম্যান, ‘বাংলাদেশ দল যথেষ্ট সামর্থ্যবান একটি দল। ম্যাচটি একপেশে হবে না।’

সীমিত ওভারের ক্রিকেটের এই ফরম্যাটে বরাবরই বাজে ক্রিকেট খেলে বাংলাদেশ। তবে এবার তরুণদের নিয়ে কতটা কি করতে পারেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক রিয়াদ সেটাই দেখার বিষয়।

আরো পড়ুনঃ

হোম অব ক্রিকেটের ভাগ্যে আবারও ডিমেরিট পয়েন্ট

 

Related Articles

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের ম্যাচে বৃষ্টির হানা

সানজামুলের জোড়া আঘাতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে শ্রীলঙ্কা

ব্যাটিং ধ্বস বাংলাদেশের, ফাইনালে শ্রীলঙ্কা

ত্রিদেশীয় সিরিজের শীর্ষ তিন

সিলেটের বোলারদেরই কৃতিত্ব দিলেন থারাঙ্গা