Scores

আবারো স্বপ্নপূরণের ক্ষণ গুনছেন টেন্ডুলকার

২০১১ সালের ২রা এপ্রিল আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপের ট্রফিটা উঁচিয়ে ধরেছিলো ভারতীয় ক্রিকেট দল। গতকাল (মঙ্গলবার) আট বছর পর আবারো সেই দিনের স্মৃতিচারণ করেন ক্রিকেটাররা।

শচিন

শচীন টেন্ডুলকার, বীরেন্দর শেবাগদের ক্যারিয়ারের সর্বশেষ বিশ্বকাপ ছিল ২০১১ সালের বিশ্বকাপ। কিংবদন্তি শচীনকে একটি বিশ্বকাপ উপহার দেয়ার কথা রেখেছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি, যুবরাজ সিংরা। ক্যারিয়ারের ক্লান্তি লগ্নে যেয়ে ঘরের মাঠে ট্রফিটা ছুঁয়ে দেখেছিলেন শচীন।

Also Read - সবার আগে বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলো কিউইরা


আট বছর পর সেই দিনের স্মৃতিচারণে লিটল মাস্টার টেন্ডুলকার বলেন ২ এপ্রিল তার ক্রিকেট ক্যারিয়ারে সবচেয়ে স্মরণীয় দিন। এবার ইংল্যান্ডে আসন্ন বিশ্বকাপেও বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মাদের হাতেই সোনালি ট্রফিটা দেখার ক্ষণ গুনছেন তিনি।

গতকাল সেই স্মৃতিচারণ করে এক ভিডিওবার্তায় ভারতীয় কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার বলেন, ‘সোনালি ট্রফি জয়ের দিনটি নিয়ে কথা বলতে গেলে কোথা থেকে শুরু করব, আর কোথায় শেষ করব বলা কঠিন। চার বছর পর একটা বিশ্বকাপ আসে। ২ এপ্রিল আমার ক্রিকেট ক্যারিয়ারে সবচেয়ে স্মরণীয় দিন। দরজায় কড়া নাড়ছে আরেকটি বিশ্বকাপ। এবার জার্সিতে তিনের বদলে চারটা স্টার দেখতে চাই। দেশবাসী দলের পাশে রয়েছে। স্বপ্নপূরণের অপেক্ষায় প্রহর গোনা শুরু করলাম।’

শচীন ছাড়াও বীরেন্দর শেবাগ ও ইউসুফ পাঠানরা সেই দিনটিকে স্মরণ করে বার্তা দেন। ডানহাতি ওপেনিং ব্যাটসম্যান শেবাগ এক বার্তায় বলেন, ‘স্বপ্নপূরণের মুহূর্ত। স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছিলাম আমরা। সেদিন দেশবাসী উৎসবে মেতেছিলেন।’

 

এছাড়া অলরাউন্ডার ইউসুফ পাঠানও মনে করেছেন সেই আনন্দ মুহূর্তটি। শচীনের মতোই পাঠানও এবারের বিশ্বকাপ ট্রফিটি কোহলির হাতে দেখার আশা ব্যক্ত করেছে। তিনি লিখেছেন, ‘ভারতীয় ক্রিকেটের ঐতিহাসিক দিন। এবার ক্যাপ্টেন কোহলির হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি দেখতে চাই।’

আগামী ৩০ মে বিশ্বকাপ শুরু হলেও ভারত মাঠের লড়াইয়ে নামবে একটু দেরি করেই। ৫ জুন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে কোহলি, ধোনিরা।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

ড্রেসিংরুমের ভেতরের কথা বাইরে না যাওয়াই ভালো: মুশফিক

উইলিয়ামসনের সেই রান আউট হাতছাড়া নিয়ে মুখ খুললেন মুশফিক

সাকিবও বলছেন— মাশরাফির নিষ্প্রভতায় পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ

নিজের জন্য নয়, দেশের জন্যই খেলি: সাকিব

নিশামকে একমাস তাড়া করেছে ফাইনালের দুঃস্বপ্ন!