“আমাদের খেলা উচিত বাংলাদেশ ব্র্যান্ডের ক্রিকেট”

0
2029

এই বাংলাদেশ ব্র্যান্ড বা বাংলাদেশি ব্র্যান্ডের ক্রিকেট প্রথম আলোচনায় এসেছিল নিদাহাস ট্রফি চলাকালে। টি-২০ ফরম্যাটে বরাবরই পিছিয়ে বাংলাদেশ। তবে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা ও ভারতের বিপক্ষে নিদাহাস ট্রফিতে রীতিমত কাঁপিয়ে দিয়েছিল টাইগাররা।

কঠিন"-ছিল-প্রথম-দশ-ওভার
তামিম ইকবাল, উইন্ডিজ সফরে। © উইন্ডিজ ক্রিকেট

দলে নেই তেমন কোনো হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান। বোলাররাও কেউ ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটের বিচারে শতভাগ কার্যকরী নন। তারপরও দাপুটে ক্রিকেট, যার কারণ দলীয় পারফরম্যান্স। সোমবার উইন্ডিজকে ডাকওয়ার্থলুইস পদ্ধতিতে ১৯ রানে হারিয়ে আবারও আলোচনায় এল এই ‘বাংলাদেশ ব্র্যান্ড’ ক্রিকেট।

Advertisment

এটি এমন এক ব্র্যান্ড, যা অপেক্ষাকৃত কম শক্তিমত্তা নিয়েই টি-২০ ক্রিকেটে বাংলাদেশকে এনে দিচ্ছে সাফল্য। অন্তত এমনটাই ইঙ্গিত জাতীয় দলের ওপেনার তামিম ইকবালের।

তামিম বলেন, ‘অনেকে অনেক রকম কথা বলেইংল্যান্ডের মতো খেলা উচিত, প্রথম ছয় ওভারে আমাদের ৬০-৭০ করা উচিতঅথবা ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো পাওয়ার হিটার দরকার আমাদের।’

সেসব ‘কথা’য় কর্ণপাত না করে নিজেদের মত খেলাকেই তামিম দেখছেন সাফল্যের চাবি হিসেবে। তিনি বলেন, ‘আমি সব সময় বিশ্বাস করি, আমাদের খেলা উচিত বাংলাদেশ ব্র্যান্ডের ক্রিকেটসব দল একভাবে খেলতে পারে নাআমাদের হয়তো বা আন্দ্রে রাসেল নেই বা কার্লোস ব্র্যাথওয়েট নেইকিন্তু আমাদের স্মার্ট ক্রিকেটার আছে, যারা যেকোনোভাবে বাউন্ডারি বা ছক্কা মেরে খেলতে পারে।’

আর এ কারণেই তামিমের অভিমত, নিজেদের মত খেললেই উন্নতির ধারা ধরে রাখতে পারবেন তারা। এতে দলের সক্ষমতা ও সামর্থ্যের উপরও বাড়ছে বিশ্বাস, জানালেন এমনটাই- ‘তাই আমার মনে হয় অন্যদের ব্র্যান্ড ক্রিকেট অনুসরণ না করে আমরা যদি নিজেদের ব্র্যান্ড ক্রিকেটের উন্নতি করতে পারি তাহলেই ভালো হবেআমরা ধীরে ধীরে বিশ্বাস করছি, এটা করতে পারি।’

দেরাদুনে আফগানিস্তানের কাছে টি-২০ সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ ও বছরের শুরুতে শ্রীলঙ্কার কাছে হোম সিরিজ খোয়ানো বাদ দিলে টি-২০ ক্রিকেটের দুর্দশা বাংলাদেশ অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে পেরেছে। সেটি যদি হয় বাংলাদেশি ব্র্যান্ডের ক্রিকেট খেলেই, ক্ষতি কী!

আরও পড়ুন: অ্যাশলে নার্সকে আইসিসির তিরস্কার