Scores

আমার অন্যতম সেরা ইনিংস: রিয়াদ

ম্যাচে বাংলাদেশ তখন অনেকটাই ব্যাকফুটে। তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিমকে হারিয়ে রীতিমতো ধুঁকছে টাইগাররা। এমন সময় ক্রিজে এলেন মাহমুদউল্লাহ্‌ রিয়াদ।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের জয় উদযাপন

আগের দুই ম্যাচে তিনিই ছিলেন অধিনায়ক। চাপ জয় করার মন্ত্রটা তাই ভালোই জানা ছিল তার। দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া বাংলাদেশকে টেনে তুলতে সঙ্গে পেলেন নিয়মিত অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকেও, যিনি এই ম্যাচের মাধ্যমে ফিরেছেন ইনজুরি কাটিয়ে।

Also Read - হাজার পার করলেন মুশফিক


তবে রিয়াদের সেই চাপ জয় করার লড়াইটা সুখকর ছিল না। অনেকদিন পর মাঠে ফিরে ছন্দ খুঁজে পাচ্ছিলেন না হয়ত। যার খেসারত দিলেন একশোরও কমে স্ট্রাইক রেট রেখে উইকেট হারিয়ে। তবুও রিয়াদ খেলে যাচ্ছিলেন নিজের মতো করে। এরপর একে একে সাজঘরে ফিরলেন মেহেদি হাসান মিরাজ, আরিফুল হক ও মুস্তাফিজুর রহমান।

মাহমুদউল্লাহ্‌-ম্যাজিকের শুরু এরপরই। স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার পক্ষে গ্যালারি যখন উল্লাসে মাতোয়ারা, তখন দর্শকদের অনুভূতি ঠিক উল্টে দিলেন তিনিই। শেষ ওভারে বাংলাদেশের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১২ রান। ঐ ওভারের শুরুতে উইকেট হারানোর পাশাপাশি বিতর্ক বাঁধে নো-বল দেওয়া-না দেওয়া নিয়ে। সেই গণ্ডগোলের মধ্যেই মাথা ঠাণ্ডা রেখে খেলেছেন, যেখানে অন্য সতীর্থরা রীতিমতো তেতে ছিলেন।

ইনিংসের শেষ বলের আগের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে টাইগারদের নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে তোলা রিয়াদ ম্যাচ শেষে এই ইনিংসকে আখ্যা দিলেন ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা হিসেবে।

১৮ বলে ৪৩ রান করা রিয়াদ ম্যাচ শেষে বলেন, ‘আমার অন্যতম সেরা ইনিংস। সাকিব আসার পর বড় একটা সাহস পাচ্ছিলাম। বলকে যত খেলা সম্ভব সেই পরিকল্পনা করছিলাম। সাকিব আউট হওয়ার পর আমি চাপে পড়ে যাই।’

ম্যাচের শেষদিকে বাধা গণ্ডগোল নিয়ে তিনি বলেন, ‘দ্বিধার জন্ম হয়েছিল প্রথম ডেলিভারির বাম্পার নিয়ে। তবে আমাদের এটা ভুলে যাওয়া উচিত। ক্রিকেটে এমন হয়ই।’

উল্লেখ্য, রিয়াদের ২৩৮.৮৮ স্ট্রাইক রেটের ইনিংসটিতে ছিল তিনটি চার ও দুটি ছক্কা।

আরো পড়ুন : রিয়াদের বীরত্বে নাটকীয় ম্যাচ জিতে ফাইনালে বাংলাদেশ

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

রুবেল হোসেনের সমস্যা কোথায়?

নিদাহাস ট্রফি থেকে ৪৮২ শতাংশ লাভ!

অসুস্থ রুবেল, দোয়া চাইলেন সবার কাছে

যেখান থেকে শুরু ‘নাগিন ড্যান্স’ উদযাপনের

‘খারাপ করছি দেখেই বেশি চোখে পড়ছে’