‘আমি কখনো এমন উইকেট প্রত্যাশা করি না’

0
1138

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে প্রথমবার খেলতে এসেই সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন ডি ভিলিয়ার্স। গতকাল (২৮ আগস্ট) ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের চতুর্থ শতকের দেখা পান এই দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার। তবে শতকে খুব উচ্ছ্বসিত নন এবি ডি ভিলিয়ার্স।

একদিনের ক্রিকেটে এবি ডি ভিলিয়ার্সের শতকের সংখ্যা ২৫টি। আর টেস্ট ক্রিকেটে ২২টি। অন্যদিকে ক্রিকেটের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ স্কোর ৭৯। তবে ফ্রাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লিগে আছে চার শতক। টি-টোয়েন্টি কম শতকের কারণ জানিয়েছেন ডি ভিলিয়ার্স। পাশাপাশি শতকের চেয়ে ম্যাচ শেষ করে আসাতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন তিনি।

Advertisment

ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে ৫০ বলে ৮ চার আর ৬ ছক্কায় অপরাজিত ১০০ রান করে ম্যাচসেরা হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে ডি ভিলিয়ার্স বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে সেঞ্চুরি করা আমাকে খুব বেশি উদ্বেলিত করে না। আমি যদি দলের হয়ে খেলা শেষ করে আসতে পারি, তাহলে সেটা আমার জন্য অনেক বড় কিছু। আমি আমার ক্যারিয়ারে মিডল অর্ডারেই বেশি খেলেছি। খেয়াল করে থাকবেন মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের অতো বেশি সেঞ্চুরি নেই, তাঁরা মূলত খেলাটা শেষ করে আসে। আমি গর্বিত যে আমি নট আউট থেকে খেলাটা জিতিয়ে আসতে পেরেছি।’

এদিকে বিপিএলের প্রতি আসরে রানখরার একটা অভিযোগ থাকে! ঢাকার মাঠে যেখানে বড় স্কোরের দেখা পাওয়া যায়না সেখানে চট্টগ্রাম কিংবা সিলেটে উল্টো চিত্র। বিশেষ করে চট্টগ্রামে যেন রানের ফোয়ারা ছুটছে। সহজেই ২০০ এর অধিক রান করে ফেলছে দলগুলো।

এমন উইকেট নিয়ে ডি ভিলিয়ার্সের ভাষ্য, ‘টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অনেক রান হওয়াটাই স্বাভাবিক। দর্শকরাও এমনটাই চায়। তবু একদম একপেশে ব্যাটিং উইকেটে খেলাটা একঘেয়ে ও উত্তেজনাহীন হয়ে পড়ে। কারণ দুই দলের ব্যাটসম্যানরাই ইচ্ছেমত রান করে কিন্তু বোলারদের তেমন কিছুই করার থাকে না। আমি কখনো এমন উইকেট প্রত্যাশা করি না।’

[আরও পড়ুনঃ বিপিএল ছাড়ার কারণ জানালেন ডি ভিলিয়ার্স]