আম্পায়ারের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত, ‘১০ খেলোয়াড়’ নিয়ে পেশোয়ারের ফিল্ডিং

আম্পায়ারদের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে অদ্ভুত এক অভিজ্ঞতা হয়েছে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) দল পেশোয়ার জালমির। পিএসএলের ষষ্ঠ আসরের ফাইনালে ওঠার ম্যাচে দলটি কিছু সময় ফিল্ডিং করেছে ১০ জন খেলোয়াড় নিয়ে।

আম্পায়ারের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত, '১০ খেলোয়াড়' নিয়ে পেশোয়ারের ফিল্ডিং
ইরফানের চোটের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার পর বদলি ফিল্ডারের অনুমতি দেন আম্পায়াররা। ফাইল ছবি

ফিল্ডিংয়ে সাধারণত ১১ জন খেলোয়াড়ই থাকেন। একাদশের কোনো খেলোয়াড় মাঠের বাইরে থাকলে তার বদলি হিসেবে দলের অন্য কোনো খেলোয়াড়কে ব্যবহারেরও সুযোগ আছে। কিন্তু পিএসএলে আম্পায়াররা একাদশের খেলোয়াড়ের বদলে দ্বাদশ ব্যক্তিকে ফিল্ডিং করতে বাধা দেওয়ায় মঙ্গলবার (২২ জুন) পেশোয়ার ১০ জন নিয়ে ফিল্ডিং করেছে।

Advertisment

ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের মুখোমুখি হয়েছিল পেশোয়ার জালমি। প্রথমে ব্যাট করতে নামা ইসলামাবাদের ইনিংসে চোট পান পেশোয়ারের পেসার মোহাম্মদ ইরফান।

ইনিংসের ১১তম ওভারে নিজের শেষ ওভার বল করতে এসে চোট পেয়ে প্রথম বলের পরপরই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ইরফান। বিরতি নিয়ে নিজের ওভার সম্পন্ন করেন। দ্বাদশ ওভার চলাকালে বাউন্ডারি লাইনে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসাও দেওয়া হয়।

স্বভাবতই ইরফান ফিল্ডিং করতে পারছিলেন না। তাই তার বদলি ফিল্ডার হিসেবে নামান হয় হায়দার আলীকে। তবে দ্বাদশ ওভার শেষ হওয়ার পর দুই অন ফিল্ড আম্পায়ার আলিম দার ও আসিফ ইয়াকুব হায়দারকে মাঠ থেকে চলে যেতে বলেন। আম্পায়ারদের যুক্তি ছিল- ইরফান আসলেই চোটগ্রস্ত কি না তা পরিস্কার ছিল না।

১৩ ও ১৪তম ওভারে পেশোয়ার ১০ জন খেলোয়াড় নিয়ে ফিল্ডিং করে। মেডিকেল টিম ইরফানের চোটের বিষয়ে তথ্য জানালে আম্পায়াররা ১৬তম ওভারে বদলি ফিল্ডার ব্যবহারের অনুমতি দেন। তখন ফিল্ডিং করতে আসেন একাদশের বাইরে থাকা খালিদ উসমান। তার আগে অবশ্য পেশোয়ার দলপতি ওয়াহাব রিয়াজ ও সিনিয়র ক্রিকেটার শোয়েব মালিককে বারবার ধর্না দিতে হয়েছে আম্পায়ারদের কাছে।

বিতর্কের জন্ম দেওয়া ম্যাচে অবশ্য সহজেই জিতেছে পেশোয়ার। ইসলামাবাদকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে দলটি। ফাইনালে পেশোয়ারের প্রতিপক্ষ মুলতান সুলতান্স।