SCORE

আরেকটি স্মৃতিময় বিশ্বকাপ উপহার দিতে চান রুবেল

২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপের অ্যাডিলেডের ম্যাচের কথা মনে আছে? নিশ্চয়ই মনে থাকার কথা। কেননা সেই ম্যাচে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথমবারের মত বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ। সেদিন ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস রচনা করেছিল টাইগাররা। সেদিন বল হাতে জয়ের নায়ক ছিলেন পেসার রুবেল হোসেন। ব্যাটিংয়ে মুশফিক, মাহমুদউল্লাহর দারুণ জুটি এবং বিশ্বকাপে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ।

আরেকটি স্মৃতিময় বিশ্বকাপ উপহার দিতে চান রুবেল
অ্যাডিলেডে জয়ের নায়ক ছিলেন রুবেল। ফাইল ছবি

ব্যাটিংয়ে দারুণ কিছু করার পর অতিমানবীয় কিছু করেছে টাইগাররা। রুবেলের করা ৪৯তম ওভারের প্রথম বলেই স্টুয়ার্ট ব্রডকে বোল্ড এবং তৃতীয় বলে জেমস অ্যান্ডারসনকে বোল্ড করে ঐতিহাসিক জয়ের নায়ক বনেছিলেন রুবেল। সেই জয়ে টুর্নামেন্ট থেকে ইংল্যান্ডকে বিদায় করেছিল বাংলাদেশ। আবারো বসতে যাচ্ছে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় মঞ্চ।

আগামী বছর ওই ইংল্যান্ডের মাটিতেই বসবে বিশ্বকাপ। আসন্ন বিশ্বকাপেও দারুণ কিছু করার যথেষ্ট ভালো সম্ভাবনা রয়েছে টাইগারদের। বিশ্বকাপ দেখেই একটু বেশিই রোমাঞ্চিত পেসার রুবেল। তাই গত বিশ্বকাপের মত আগামী বিশ্বকাপেও ভালো কিছু করতে চান এই পেসার। পুরাতন স্মৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করতে চান রুবেল।

Also Read - শিক্ষা পেয়েছেন ওয়ার্নার

‘আমি ইংল্যান্ডে অনেক ম্যাচ খেলেছি। সেখানে আমার কয়েকটি ভালো স্মৃতিও আছে। আমি যদি সুস্থ থাকি আর বিশ্বকাপের মতো বড় একটা জায়গায় আমাকে নির্বাচন করে অবশ্যই আমি চাইবো ভালো খেলার। আমার ভালো যে স্মৃতিগুলো আছে সেগুলো তুলে আনার চেষ্টা করবো। এখানে আমি ভালো খেলেছি। আমি চাইবো এখানে ভালো খেলার সেই ব্যাপারগুলো তুলে আনার। ভালো কিছু উপহার দেওয়ার চেষ্টা করবো।’

বর্তমান ক্রিকেটে দর্শকদের কথা মাথায় রেখে অধিকাংশ ম্যাচই করা হয় ব্যাটিংবান্ধব উইকেট। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গত আসরেও করা হয়েছিল ব্যাটিংবান্ধব উইকেট। তাই পেসারদের জন্য একটু সমস্যা তৈরি হয় এমন উইকেটে। তবে সেগুলো মাথায় আছে স্পিডস্টার রুবেলের। সেভাবেই বাংলাদেশের পেসারদের তৈরি হওয়ার কথা জানিয়েছেন রুবেল।

‘আমরা দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাওয়ার সময় ভেবেছিলাম সেখানে পেস সহায়ক বাউন্সি উইকেট থাকবে। সেখানে কিন্তু আমরা দেখেছি, উইকেট সেখানে ফ্ল্যাট ছিল। সবাই চায়, রান হোক। জমজমাট খেলা হোক সবাই চায়। দর্শকরা চায়, আইসিসিও তেমনই চায়। বাংলাদেশের তো আমরা সবসময়ই খেলি। এখানেও তিনশ রান হয়। দেশের বাইরেও তিনশ রান হয়, হবে। ফলে আমাদের সেভাবেই প্রস্তুতি নিতে হবে। ইংল্যান্ডে যে বাউন্স উইকেট থাকবে বা বোলারদের জন্য উইকেটে খুব সহায়তা থাকবে এমন হবে না। এখন আমাদের পেসারদের সেভাবেই প্রস্তুতি নিতে হবে।’

আরও পড়ুনঃ শিক্ষা পেয়েছেন ওয়ার্নার

Related Articles

আশরাফুলের চোখ বিশ্বকাপের স্কোয়াডে

বাংলাদেশের চার শহরে আসছে বিশ্বকাপ ট্রফি

শুরু হয়েছে ২০১৯ বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রি

ইংল্যান্ডে স্বাগতিকদের চেয়ে বাংলাদেশের সমর্থন বেশি ছিল!

সাব্বিরের বিশ্বাস একদিন বিশ্বকাপ জিতবে বাংলাদেশ