উইকেট দেখে খুশি তাসকিন

গত দুদিন ধরে ক্রিকেটপাড়ায় সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড প্রথম টেস্টের বিচিত্র উইকেট। ভিন্ন কন্ডিশনের পাশাপাশি ঘাসে ঢাকা এমন উইকেট বাংলাদেশের জন্য বড়সড় এক মাথাব্যথার কারণ। এই টেস্ট দিয়েই সাদা পোশাকে বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক হতে যাচ্ছে পেসার তাসকিন আহমেদের। বুধবার ওয়েলিংটনে সংবাদ সম্মেলনে তাসকিন অবশ্য জানান, এরকম উইকেট তাকে ফেলতে পারছে না দুশ্চিন্তায়।

যদিও ব্যাপারটা স্বাভাবিকই। শক্ত উইকেটের উপর ঘাসের প্রলেপ ব্যাটসম্যানদের মনে কাঁপুনি ধরালেও বোলারদের জন্য তা আশীর্বাদই, বিশেষ করে তাসকিনের মতো গতিতারকাদের কাছে! কঠিন যুদ্ধে নামার আগেও তাসকিনের কণ্ঠে তাই আত্মবিশ্বাস, ‘উইকেট দেখে বোলাররা খুশি। শক্ত, কিন্তু উপরে সবুজ ঘাস রয়েছে। বলে গতি দিতে পারব। আমাদের কিছু ভালো ফাস্ট বোলার আছে। আমরা প্রমাণও করেছি যে আমরা ভালো বল করতে পারি। যদি নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী বল করতে পারি তাহলে ভালো কিছু হবে বলে মনে করছি।’

দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর অবশেষে টেস্ট খেলার দ্বারপ্রান্তে তাসকিন। পরিণত হয়েই দলে জায়গা করতে যাওয়া তাসকিন জায়গা ধরে রাখার ব্যাপারেও আশাবাদী, ‘আমি টেস্টে ফেরার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছি। বিসিবির কোচ-স্টাফদের সহযোগিতা আমার জন্য সবকিছু সহজ করে দিয়েছে। আমি নির্দিষ্ট কিছু ব্যাপার নিয়ে কাজ করেছি। তাছাড়া আমি টেস্ট স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছি আগের চেয়ে বেশি ফিট বলে। এক ম্যাচ খেলার পর থেমে যাবো না আমি। এই দলে নিয়মিত হতে চাই।’

Also Read - 'প্রতিপক্ষের ২০ উইকেট নেওয়ার সামর্থ্য বাংলাদেশের আছে'


এতদিন সীমিত ওভারের ক্রিকেট খেলা তাসকিন কি পারবেন টেস্টের মতো লম্বা ভার্শনে একটানা বল করে যেতে? তার ভক্তদের মনে এই প্রশ্নটা ঘুরপাক খাচ্ছে নিয়মিতই। উত্তরটা তাসকিন দিলেন এভাবে, ‘টানা বোলিং নিয়ে আমি চিন্তিত নই। আমি মনে করি না প্রথম শ্রেণিতে কম ম্যাচ খেলা টেস্টে আমার জন্য নেতিবাচক কোন কারণ হয়ে দাঁড়াবে। আমি শুধু এটুকু ভাবছি, মাঠে কিভাবে নিজের যত্ন নিতে পারবো যেতে করে শতভাগ দিতে পারি দলকে। আমি অনেকদিন নতুন-পুরাতন বলে নেটে টানা ১২-১৫ ওভার বল করেছি। লাল বলে কিভাবে সুইং করাতে হয়, সেটাও শিখছি। বিশ্বাস করি, আমি ভালো টেস্ট ক্রিকেটারও হতে পারব।’