উইকেট না হারানোর মন্ত্রে সফল আফিফ

অলরাউন্ডার হলেও বল হাতে নেওয়ার সুযোগ পান কালেভদ্রে। জাতীয় দলে ফিনিশারের ভূমিকায় থিতু হয়েছেন, তাই ব্যাট হাতে রোজ রোজ নিজেকে প্রমাণের সুযোগটাও নেই। ‘সুযোগসন্ধানী’ আফিফ হোসেন ধ্রুব যে প্রবল চাপের মুখে এমন সুন্দর ব্যাটিং উপহার দেবেন, কে ভেবেছিল!

Advertisment

সাকিব-রিয়াদ-সৌম্যরা সাজঘরে ফেরার পর দল যখন ভীষণ চাপে, তখন সেই আফিফই বাংলাদেশকে এনে দিয়েছেন অজিদের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় জয়। নুরুল হাসান সোহানকে সঙ্গে নিয়ে নিজের জাত চিনিয়েছেন নতুনভাবে।

ম্যাচ শেষে তিনি জানান, উইকেট না হারানোর মন্ত্র মাথায় রেখে খেলেছেন অজিদের দক্ষ বোলিং লাইনআপের প্রতিটি বল।

আফিফ বলেন, ‘ক্রিজে যাওয়ার সময় রিয়াদ ভাইয়ের কাছ থেকে একটা ম্যাসেজই ছিল- যাওয়ার পর ২-৩ ওভার যেন সাধারণভাবে খেলি। আমার পরিকল্পনা ছিল শেষপর্যন্ত যাতে উইকেটে থাকতে পারি, ম্যাচটা শেষ করে আসতে পারি। ব্যাটিংয়ে নামার পর চেষ্টা করেছি উইকেট থেকে সুবিধা নেওয়ার। উইকেটের আচরণে খেয়াল রেখে উইকেট না হারিয়ে যাতে শেষপর্যন্ত থাকতের পারি সেই চেষ্টা ছিল। বিশ্বাস ছিল- প্রয়োজনীয় রান রেট যতই হোক না কেন আমি শেষপর্যন্ত উইকেটে থাকলে ম্যাচটা ভালোভাবে শেষ করতে পারব।’

নিজের পরিকল্পনা অটুট রেখে ৩৭ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন আফিফ। তাকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন সোহান। আফিফের মত সোহানও ঠিক করেছিলেন, কোনোভাবেই অজিদের কাছে উইকেট হারানো যাবে না।

আফিফ জানান, ‘সোহান ভাই অনেক ভালো ব্যাটিং করেছে। দুইজনের পরিকল্পনা ছিল আমরা উইকেট দিব না। তখন বল টু বল রান দরকার ছিল। উইকেট না দিয়ে কীভাবে রান নেওয়া যায় সেই চেষ্টায় করছিলাম। অপর দিক থেকে ভালো সাপোর্ট পাওয়ায় চাপ অনুভব করিনি।’

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।