SCORE

একসঙ্গে মাইলফলকের পথে সাকিব-তামিম

২০০৭ সালে চট্টগ্রামে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হয় সাকিব আল হাসানের। তারপরের বছর জানুয়ারিতে ডানেডিনে টেস্ট অভিষেক হয় তামিম ইকবালের। অবশেষে দুই ক্রিকেটার এসে মিলেছেন এক বিন্দুতে। দুজনই পঞ্চাশ টেস্ট খেলার মাইলফলক অর্জন করতে যাচ্ছেন।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রোববার সিরিজের প্রথম টেস্টে মাঠে নামবে স্বাগতিক বাংলাদেশ। এ মযাচটিই হতে যাচ্ছে সাকিব-তামিমের ৫০ তম টেস্ট। দুজনেই চান পারফরম্যান্স দিয়ে এ টেস্ট স্মরণীয় করে রাখতে।

Also Read - লায়নকে হাথুরুসিংহের প্রত্যাখ্যান!

২০০৭ সালে বাংলাদেশের ৪৬ তম টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেক হয় সাকিব আল হাসানের। আর তামিম ইকবালের মাথায় উঠেছিল ৫০ তম টেস্ট ক্যাপ।

দুজনেই টেস্টে দুই দিকে সেরা। ওপেনার তামিম ইকবাল ৪৯ টেস্টে ব্যাটিং করেছেন ৯৪ ইনিংসে। ৩৯.৫৩ গড় আর ৫৫.৬১ স্ট্রাইক রেটে রান করেছেন ৩৬৭৭। রয়েছে ৮ টি শতক ও ২২ অর্ধশতকের। রয়েছে একটি দ্বিশতকও। টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম। তামিমের পরেই রয়েছে ৩৪৭৯ রান করা সাকিব আল হাসানের নাম। সাকিবের রয়েছে পাঁচটি শতক ও ২১ টি অর্ধশতক। টেস্টে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোরের রেকর্ডটাও তার দখলে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২১৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।

তবে বোলিংয়ে সবার উপরে আছেন সাকিব আল হাসান। ৪৯ টেস্টের ৮২ ইনিংসে বল হাতে নিয়েছেন সাকিব। উইকেট পেয়েছেন ১৭৬ টি। বোলিং গড় ৩৩.০৪। এখন পর্যন্ত এক ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছেন ১৫ বার। রয়েছে একই টেস্টে শতক ও ১০ উইকেট নেওয়ার বিরল কীর্তি।

এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের হয়ে তিন ক্রিকেটার খেলেছেন পঞ্চাশ বা তার বেশি টেস্ট। সবচেয়ে বেশি টেস্ট খেলার রেকর্ড মোহাম্মদ আশরাফুল। বর্তমানে নিষিদ্ধ থাকা আশরাফুল খেলেছেন ৬১ টেস্ট। এছাড়া বর্তমান অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম খেলেছেন ৫৪ টি টেস্ট। ৫০ টেস্ট খেলে অবসর নিয়েছেন সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার। এছাড়া ৪৪ টি টেস্ট খেলেছেন খালেদ মাসুদ। বর্তমান ক্রিকেটারদের মাঝে শাহাদাত হোসেন ৩৮ টি, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৩৩ টি এবং ইমরুল কায়েসের ২৮ টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

Related Articles

ক্রিকেটারদের উত্সর্জন প্রসঙ্গে তামিমের বক্তব্য

দেশে ফিরেছেন তামিম ইকবাল

‘তামিম-মুশফিক ভাইয়ের বীরত্বর কাছে গরম কঠিন কিছু না’

মঙ্গলবার দেশে ফিরছেন তামিম

এপিএলের চূড়ান্ত সময়সূচি প্রকাশ