একাদশে সুযোগ পেলে ‘১২০ ভাগ’ দিতেও প্রস্তুত ইয়াসির

তামিম ইকবাল ছাড়া বাংলাদেশ দলে চট্টগ্রামের ক্রিকেটার নেই- এই আক্ষেপ ছিল চট্টলাবাসীর। সেই আক্ষেপ দূর করতে যেন একসাথে উঠে এসেছিলেন নাঈম হাসান ও ইয়াসির আলী চৌধুরী। নাঈম টেস্ট দলে থিতু হয়ে গেলেও ইয়াসির এখনও অভিষেকই ঘটাতে পারেননি।

Advertisment

অথচ শুধু বদলি ফিল্ডার হিসেবেই তিনি বাংলাদেশ দলে যে অবদান রেখেছেন, তাও বা কম কীসে! তরুণ এই ব্যাটসম্যান যথারীতি আছেন জিম্বাবুয়ে সফরের টেস্ট দলে। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু জানিয়েছিলেন, লঙ্গার ভার্শনের ভাবনায় আছেন বলেই প্রায় সব সফরের দলে থাকেন ইয়াসির। তবে কবে একাদশে মিলবে সুযোগ- সেই প্রশ্নের উত্তর জানা নেই খোদ ইয়াসিরেরও।

আর তাই ২০১৯ সাল থেকে জাতীয় দলের সঙ্গে থাকা ইয়াসির অজানা উত্তরের খোঁজ না করে নিজেকে রাখছেন প্রস্তুত। জানালেন, সুযোগ পেলে শতভাগেরও বেশি দেওয়ার চেষ্টা থাকবে তার।

জিম্বাবুয়ে সফরে যাওয়ার আগে বিডিক্রিকটাইমকে তিনি বলেন, ‘ভিশন সবসময় একই থাকে- যদি কখনও সুযোগ পাই নিজের সেরাটা দিব, দেশের জন্য ভালো কিছু করব। সুযোগের অপেক্ষায় সবসময়ই আছি। যখন সুযোগ পাব, একশ ভাগ না, একশ বিশ ভাগ কাজে লাগাব। দেখা যাক কী হয়।’

অন্য ক্রিকেটারদের চেয়ে কিছুটা স্থূলকায় বলে ইয়াসিরের ফিটনেস নিয়ে কখনও কথা ওঠে। তবে স্কিল আর টেকনিকের দিক থেকে লঙ্গার ভার্শনে তিনি হতে পারেন ব্যাটিং অর্ডারের বড় ভরসা। দীর্ঘদিন ধরে দলের সাথে থাকা ইয়াসির কীভাবে নিজেকে প্রস্তুত রাখছেন?

ইয়াসির জানান, ‘প্রত্যেক খেলার জন্য আমার রুটিন থাকে, তা অনুসরণের চেষ্টা করি। হোক টেস্ট, ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টি। অনেক সিনিয়র ক্রিকেটার ও কোচের সাথে কথা বলেছি, তাদের কাছে জানতে চেয়েছি- মানসিকভাবে আমরা যেখানে পিছিয়ে আছি সেখানে উন্নতি করতে হলে কী করতে হবে। সবাই একটা কমন কথাই বলেছেন- নির্দিষ্ট রুটিন মেনে চলতে হবে। হোক ব্যাটিংয়ে বা ফিল্ডিংয়ে।’

ব্যাটসম্যান বলেই হয়ত, নিজ এলাকার অগ্রজ তামিম ইকবালের প্রতি বেশি ভক্তি ইয়াসিরের। তাই তামিমের কাছ থেকে শেখার চেষ্টাও থাকে তার। ইয়াসির বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই তামিম ভাইকে কাছ থেকে দেখেছি। তিনি আমার প্রিয় ক্রিকেটার। ছোট বেলা তো শুধু ছক্কা দেখলেই খুশি হয়ে যেতাম। তামিম ভাই যে ডাউন দ্য উইকেটে এসে ছক্কা মারত তা খুব ভালো লাগে। উনি যেভাবে নিজের খেলাটাকে গুছিয়ে নেয়, ঐ জিনিসটা শেখার চেষ্টা করছি।’