Scores

এক টি-২০ ম্যাচে দুই ডাক, পুরানই প্রথম নন

একজন ব্যাটসম্যানের এক ম্যাচে দুইবার শূন্য রানে আউট হওয়া টেস্টে প্রায় দেখা গেলেও সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তা দুর্লভ।  এমন ঘটনা ঘটেছে  আইপিএলে কিংস ইলিভেন পাঞ্জাব এবং দিল্লী ক্যাপিটালসের ম্যাচে। দুইবার ব্যাটিং করতে নেমে কিংস ইলিভেন পাঞ্জাবের নিকোলাস পুরান কোনো রান করতে পারেননি।  পুরানই এমন কাণ্ড প্রথম ঘটাননি। এ কাজ আগে করেছেন ময়জেজ হেনরিকস আর শোয়েব মালিকও। 

এক টি-২০ ম্যাচে দুই ডাক, পুরানই প্রথম নন
খেলা টাই হলে তা সুপার ওভারে গড়ালেই একজন ব্যাটসম্যানের দুইবার ব্যাটিং করার সম্ভাবনা থাকে। দিল্লী-পাঞ্জাবের ম্যাচ সুপার ওভারে গড়ালে দ্বিতীয়বার ব্যাটিংয়ের সুযোগ পান পুরান।

১৫৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নামা কিংস ইলিভেন পাঞ্জাবের হয়ে চার নাম্বারে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন নিকোলাস পুরান।  স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে বোল্ড হয়ে ফেরত যান সাজঘরে। নামের পাশে ছিল ৩ বলে ০ রান। সুপার ওভারে লোকেশ রাহুলের সাথে ব্যাটিংয়ে নামেন পুরান। একবার ব্যর্থ হওয়ার পর  দল তার ওপর আস্থা রাখলেও পুরান সেই আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি। অফ স্টাম্পে করা কাগিসো রাবাদার বল স্লগ করতে গিয়ে বোল্ড  হন পুরান।

Also Read - ভিডিওঃ জর্ডানের ১ ওভারে ৩০ রান


এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল  ২০১৪ সালের বিগ ব্যাশে। পার্থ স্কর্চার্স আর সিডনি সিক্সার্সের ম্যাচে দুইবারই ০ রান করে আউট হয়েছিলেন ময়জেজ হেনরিকস। প্রথমে ব্যাটিং করে ৫ উইকেটে ১৫৩ রান করেছিল পার্থ স্কর্চার্স। ১৫৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২০ রানেই ৪ উইকেট হারায় সিডনি সিক্সার্স।  সিডনি সিক্সার্সের হয়ে তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামা হেনরিকস কোনো রান না করে আউট হয়েছিলেন পেসার জেসন বেহেনড্রফের বলে।

এরপর স্টিভ স্মিথের ৬৫ রানের ইনিংসে ভর করে ঘুরে দাঁড়ায় সিডনি সিক্সার্স এবং ২০ ওভার শেষে পার্থ স্কর্চার্সের সমান ১৫৩ রান করে থামে তারা। সুপার ওভারে সিডনি সিক্সার্সের হয়ে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন স্মিথ আর হেনরিকস। ডানহাতি পেসার ইয়াসির আরাফাতের করা ঐ ওভারের প্রথম বলেই বোল্ড হয়ে যান স্মিথ। ওভারের চতুর্থ বলে ক্রেইগ সিমন্সের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়ে যান হেনরিকস। দুইবার ব্যাটিংয়ে নামলেও কোনো রান ছিল না তার নামের পাশে।

ম্যাচটিতে সুপার ওভারে হেনরিকসের দল সিডনি সিক্সার্স করেছিল মাত্র এক রান। দুই রানের লক্ষ্য প্রথম বলে চার মেরেই টপকে যায় পার্থ স্কর্চার্স।

২০১৩ সালে পাকিস্তানের ঘরোয়া টুর্নামেন্ট রমাদান টি-২০ কাপের ফাইনাল ম্যাচে এ অভিজ্ঞতা হয়েছিল পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের। করাচিতে হাবিব ব্যাঙ্ক লিমিটেডের মুখোমুখি হয়েছিল পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স। ম্যাচে হাবিব ব্যাঙ্ক প্রথমে ব্যাটিং করে ১৫৮ রান করে।

পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের হয়ে ওপেনিং করতে নেমে প্রথম ওভারেই শূন্য রানে আউট হয়ে যান দলটির অধিনায়ক মালিক।

এরপর ফয়সাল ইকবালের ৪২ ও সরফরাজ আহমেদের ১৫ বলে ৩০ রানের সুবাদে ম্যাচটিতে ঘুরে দাঁড়ায় শোয়েব মালিকের দল এবং ২০ ওভার শেষে ম্যাচটি টাই হয়।

সুপার ওভারে ফের ব্যাটিংয়ে নামেন মালিক। ওভারের তৃতীয় বলে ইমরান ফরহাতের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে শূন্য রানে আউট হন তিনি। ম্যাচটিতে দুইবারই তাকে আউট করেছিলেন ফাহাদ মাসুদ।

সুপার ওভারে হাবিব ব্যাঙ্ক লিমিটেডকে ৮ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স। হাবিব ব্যাঙ্ক লিমিটেডের ইমরান ফরহাত একাই তিন বলে দশ রান করে হাবিব ব্যাঙ্ক লিমিটেডকে  শিরোপা এনে দিয়েছিলেন।

তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সীমিত ওভারের কোনো ম্যাচে এক ব্যাটসম্যানের দু’বার শূন্য রানে ফেরত যাওয়ার ঘটনা এখনো ঘটেনি।


বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।


 

Related Articles

বিফলে গেল ক্রিস গেইলের ‘৯৯’

বুমরাহ-সূর্যের নৈপুণ্যে মুম্বাইয়ের জয়

বিশাল জয় বাঁচিয়ে রাখল হায়দরাবাদের আশা

আইপিএল : পরের বছরও চেন্নাইয়ের নেতৃত্বে থাকছেন ধোনি!

বাবা হারানোর শোক নিয়ে খেললেন পাঞ্জাবের ক্রিকেটার