এক ম্যাচে সাকিবের অসংখ্য কীর্তি

0
4843

রেকর্ডবুকে নাম তুলতেই যেন মাঠে নামেন সাকিব আল হাসান। বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) পিএনজির বিপক্ষে চার উইকেট শিকার করে বনে গেছেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসের যৌথ সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী। এছাড়া এই ম্যাচে আরও অন্তত অর্ধ-ডজন মাইলফলক স্পর্শ করেছেন সাকিব।

 

Advertisment
আইসিসি ইভেন্টে বাংলাদেশের পাঁচ জয়ে টানা ম্যাচসেরা সাকিব
আইসিসি ইভেন্টে বাংলাদেশের শেষ ৬ জয়েই ম্যাচসেরা হয়েছেন সাকিব।

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পিএনজিকে হারিয়ে সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। ৮৪ রানের এই জয়ের পেছনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন অলরাউন্ডার সাকিব। তিনটি বিশাল ছক্কার সাহায্যে সাকিবের ব্যাট থেকে এসেছে ৩৭ বলে ৪৬ রান। এই ম্যাচেই সাকিব আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে নিজের শততম ছক্কাটি হাঁকান। তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ১০০টি ছক্কা নিয়ে সাকিব বাংলাদেশের হয়ে পঞ্চম সর্বোচ্চ ছক্কার মালিক।

ব্যাটিংয়ের পর বল হাতে সাকিব যেন আরও বেশি উজ্জ্বল। ৪ ওভার বোলিং করে মাত্র ৯ রান খরচায় ৪ উইকেট তুলে নেন তিনি। বিশ্বকাপে এটিই সাকিবের সেরা বোলিং ফিগার। সব মিলিয়ে তার তৃতীয় ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। এর আগে চলতি বছর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৩.৪ ওভার বোলিং করে এক মেডেনসহ ৯ রান খরচায় ৪ উইকেট শিকার করেছিলেন তিনি। এছাড়া ২০১৮ সালে উইন্ডিজের বিপক্ষে ৪ ওভারে ২০ রান খরচায় ৫ উইকেট এই ফরম্যাটে সাকিবের সেরা বোলিং ফিগার।

পিএনজির বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে সাকিবের সবচেয়ে বড় মাইলফলক শহীদ আফ্রিদির রেকর্ডে ভাগ বসানো। আফ্রিদির চেয়ে ৬ ম্যাচ কম খেলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সমান ৩৯টি উইকেটের মালিক সাকিব। বিশ্বকাপে ৩৯টি উইকেট নিতে আফ্রিদির ৩৪টি ম্যাচের বিপরীতে সাকিবের লেগেছে মাত্র ২৮টি ম্যাচ। চলতি বিশ্বকাপেই আফ্রিদিকে ছাড়িয়ে যাওয়া সাকিবের কাছে এখন কেবলই সময়ের ব্যাপার মাত্র।

আফ্রিদির বিশ্বরেকর্ডে ভাগ বসালেন সাকিব
খেলতে নামলেই একের পর এক রেকর্ড গড়ছেন সাকিব।

এদিকে পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে ৪ উইকেট শিকার করে চলতি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী এখন সাকিব৷ ৩ ম্যাচে সাকিবের উইকেট সংখ্যা ৯। এছাড়া ১০৮ রান নিয়ে এই বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় তিন নম্বরে উঠে এসেছেন তিনি।

ব্যাট-বলে দারুণ কাটানো ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার অবধারিতভাবে সাকিবের হাতেই উঠেছে। এই নিয়ে আইসিসি ইভেন্টে বাংলাদেশের সর্বশেষ ছয়টি জয়ী ম্যাচের সবগুলোতেই ম্যাচসেরা হলেন তিনি।

এখানেই শেষ নয়। এই ম্যাচে সাকিবের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স এখন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় সেরা। ২০০৯ বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে অপরাজিত ৬৬ রান ও বোলিংয়ে ৩৮ রান খরচায় ৪ উইকেট নিয়েছিলেন ডোয়াইন ব্রাভো। ব্রাভোর পরই সাকিবের ৪৬ রান ও ৪ উইকেটের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেরা হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।