এবাদত-রাদারফোর্ডদের বোলিং তোপে দিশেহারা কুমিল্লা

0
482

ব্যর্থতার বৃত্তে আটকে থেকে এবার ঘরের মাঠের মিশন শুরু করেছে সিলেটে থান্ডার। মুখোমুখি হয়েছে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের। যেখানে সিলেটে সিলেটের বোলারদের বোলিং তোপে মাত্র  ১৪০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করেছে কুমিল্লা।

কুমিল্লার বিপক্ষে ৩ উইকেট নিয়েছেন এবাদত।

Advertisment

এদিন দুই দলই তাদের নিয়মিত অধিনায়ক ছাড়া খেলতে নামে। মোসাদ্দেক হোসেনের পরিবর্তে সিলেটের হয়ে টস করতে নামেন আন্দ্রে ফ্লেচার, কুমিল্লায় ডেভিড মালানের বদলি সৌম্য সরকার। টস ভাগ্যটা কথা বলে ফ্লেচারের পক্ষে। তবে প্রতিপক্ষকে আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান এই ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার।

পরে কুমিল্লার হয়ে ইনিংস শুরু করতে আসেন দুই ব্যাটসম্যান উপুল থারাঙ্গা ও স্ট্যিয়ান ভ্যান জিল। যেখানে প্রথম চার ওভারে ৪২ রান যোগ করেন দুজন। ১০ রানে থাকা ভ্যান জিলকে আউট করে ওপেনিং পার্টনারশিপ ভাঙেন পেসার এবাদত হোসেন। তিন নম্বরে ব্যাট করতে এসে সুবিধা করতে পারেননি সৌম্য, ফিরেছেন ৫ রান করে।

এরপর ইয়াসির আলী (৫) ও ডেভিড উইজ (১০) দ্রুত আউট হয়ে গেলে ১১০ রান তুলতে ৫ উইকেট হারিয়ে বসে কুমিল্লা। কার্যত ওখানেই শেষ বয়ে যায় কুমিল্লার বড় সংগ্রহের স্বপ্ন। সুবিধা করতে পারেননি সাব্বির রহমানও। অনেকটা টেস্টের ধরণে ব্যাটিং করে রাদারফোর্ডের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন তিনি। এর আগে ২৫ বলে ১৭ রানের ইনিংস খেলে যান সাব্বির। যেখানে ছিল না কোনো বাউন্ডারির মার!

রাদারফোর্ডের বলে খানিক পরে আবু হায়দার রনি ৭ রানের মাথায় বদলি খেলোয়াড় শফিকউল্লাহ শাফাকের হাতে কাজ দিয়ে সাজঘরের পথ ধরেন। শেষদিকে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের ১৪ বলে ১৯ রানের কল্যাণে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স।

সিলেটের হয়ে রাদারফোর্ড এবং পেসার এবাদত হোসেন নেন ৩টি করে উইকেট। এছাড়াও সোহাগ গাজি নিয়েছেন ২ উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স: ১৪০/৯ (২০ ওভারল
থারাঙ্গা ৪৫, অঙ্কন ১৯*, সাব্বির ১৭; রাদারফোর্ড ৩/১৯, এবাদত ২/৩৩।