এবার দেশি দুই কোচকে কৃতিত্ব দিলেন মিরাজ

ওয়ানডে ক্রিকেটে মেহেদী হাসানের পারফরম্যান্সের পরিসংখ্যান তার পক্ষে কথা বলবেই। ফলস্বরূপ আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ের পঞ্চম শীর্ষ বোলার তিনি। ক্যারিয়ারে যাদের অবদান আছে, তাদের কথা স্মরণে কার্পণ্য নেই তরুণ অলরাউন্ডারের। এবার তিনি দুই দেশি কোচের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।

এবার দেশি দুই কোচকে কৃতিত্ব দিলেন মিরাজ

Advertisment

ড্যানিয়েল ভেট্টোরির অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশ দলের স্পিন বিভাগ দেখভাল করছেন দেশের কোচ সোহেল ইসলাম। তার সাথে কাজ করে বেশ উপভোগ করছেন স্পিনাররা। মিরাজ আগেও জানিয়েছিলেন সোহেলের উপকারের কথা।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ৪ উইকেট শিকারের পর তিনি জানান, সোহেলের পরামর্শ নিয়েই খেলতে নেমেছিলেন তিনি। মিরাজ বলেন, ‘নেটে তো বোলিং করছি। দেশি যে কোচ আছেন সোহেল স্যার, তার সাথে সবসময় যোগাযোগ করার চেষ্টা করি। খেলার আগে তার সাথেই কথা বলেছি, কীভাবে কী করলে ভালো হয়। সোহেল স্যার অনেক দিন আমার সাথে কাজ করেছেন। সবসময় তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করি।’

মিরাজের মুখে সোহেলের বন্দনা শোনা গেছে আগেও। এবার শোনা গেল প্রখ্যাত কোচ নাজমুল আবেদিন ফাহিমের অবদানের কথাও। মিরাজ বলেন, ‘ফাহিম স্যার আমাকে ৩-৪ দিন আগে ফোন দিয়েছিলেন, স্যারও কথা বলেছেন। শ্রীলঙ্কায় টেস্ট খেলার সময় থেকেই বিভিন্ন কথা বলছিলেন বোলিং নিয়ে, বুস্ট আপ করছিলেন। চেষ্টা করছিলাম তাদের পরামর্শ অনুযায়ী খেলতে।’  

‘আমি মনে করি স্যাররা আমাকে খুব ভালো গাইড করেছেন।’– বলেন তিনি।

মিরাজ জানান, রান কম দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েই এদিন লঙ্কানদের কঠিন প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছিলেন তিনি, উইকেট শিকারের তাড়াহুড়া ছিলই না। মিরাজ বলেন, ‘আমার মূল পরিকল্পনা ছিল রান কম দেওয়া, সবসময় যা করি। আর ব্যাটসম্যান ভুল করলে তাহলে উইকেটের সুযোগ বেশি থাকবে। ডট বলের চেষ্টা করেছি। লাইন লেন্থ ঠিক রেখে ভ্যারিয়েশনের চেষ্টা করেছি। তবে ওয়ানডেতে মূল যেটা দরকার- রান আটকানো, এই চেষ্টাই করেছি।’