এশিয়াডে ক্রিকেট না থাকার আক্ষেপ

শনিবার (১৮ আগস্ট) পর্দা উঠেছে এশিয়ান গেমসের এবারের আসরের। এশিয়ান গেমস বা এশিয়াডের বিগত দুটি আসরে ক্রিকেট ইভেন্ট থাকলেও এবার বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে প্রায় নিশ্চিত পদক পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে বাংলাদেশ।

এশিয়াডে ক্রিকেট না থাকার আক্ষেপ

২০১০ সালে এশিয়ান গেমসে সোনা জিতেছিল বাংলাদেশ পুরুষ ক্রিকেট দল। সেই আসরে মেয়েরা জিতেছিলেন রুপা। পরের আসরে ২০১৪ সালে ভাগ্য পক্ষে না থাকায় সেমিফাইনালেই থামে ব্রোঞ্জ পাওয়া পুরুষ দলের যাত্রা। নারী দল আবারও জিতে রৌপ্য। অন্যান্য ইভেন্টে বাংলাদেশ যেখানে পাত্তাই পায় না, সেখানে ক্রিকেটের অছিলায় লাল-সবুজের নামের পাশে যুক্ত হত দুটি পদক। এবার সেই সুযোগটি নেই ক্রিকেট ইভেন্টই না থাকায়।

এতে স্বভাবতই মন খারাপ দেশের ক্রিকেটের কর্তাব্যক্তিদের। এশিয়াডের মত বড় মঞ্চে পদক হাতছাড়া হওয়ার সুযোগ কখনই কামনায় ছিল না কারও। এ প্রসঙ্গে বিসিবি পরিচালক ও বোর্ডের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস দৈনিক কালের কণ্ঠকে বলেন, দুঃখজনক তো অবশ্যইক্রিকেট থাকলে নিশ্চিতভাবেই পদক পেতাম আমরাশুধু ছেলেদের কথাই বলছি না, হয়তো আমাদের মেয়ে ক্রিকেটাররাও দেশকে আরেকটি সোনার পদক এনে দিতে পারতকারণ মেয়েরা এই মুহূর্তে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলছে।’

Also Read - জাতীয় দলে সুযোগ পাবেন ‘এ’ দলের পার্ফরমাররা

এশিয়ান গেমস থেকে ক্রিকেট ইভেন্ট বাদ পড়ায় ভদ্রলোকের খেলা জনপ্রিয়তা হারাবে বলেই অভিমত তার। জালাল বলেন, এসব গেমসে অন্তর্ভুক্ত হলে খেলাটির আরও ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ থাকে বেশিকিন্তু দুইবারের পর এবার এশিয়ান গেমসে ক্রিকেট না থাকায় ব্যক্তিগতভাবে আমি হতাশই হয়েছি।’

এর আগে অলিম্পিকেও ক্রিকেট অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে আলোচনা হয়েছিল। সেই আলোচনার বিপরীতে এবার ইভেন্টটি বাদই পড়ল ‘এশিয়ার অলিম্পিক’ খ্যাত এশিয়াড থেকে। জালাল বলেন, একবার তো শুনেছিলাম যে ক্রিকেট অলিম্পিকেও ঢুকে যেতে পারেকিন্তু সেই প্রক্রিয়াও আর পরে এগোল নাএগোলে ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা আরো বাড়তইআমি মনে করি এ ক্ষেত্রে আইসিসির পক্ষ থেকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার খুব দরকার ছিল।’

আরও পড়ুন: সাকিবের বিকল্প নিয়ে এখনই ভাবছেন না নান্নু