এশিয়া কাপ ২০১৮: বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচে যত রেকর্ড

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৩৭ রানের দাপুটে জয় নিয়ে এশিয়া কাপ পর্ব শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। বড় ব্যবধানের জয়ের দিন একাধিক রেকর্ডে নাম বসিয়েছে টাইগাররা।

দুর্দান্ত জয়ে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের।

এক নজরে দেখে নিন উল্লেখযোগ্য রেকর্ডসমূহ-

১- এশিয়া কাপের ইতিহাসে মুশফিকের ১৪৪ রানের ইনিংসটি বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। তাছাড়া ওয়ানডে ফরম্যাটে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের পক্ষে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস।

২- ওয়ানডে ফরম্যাটের এশিয়া কাপের ইতিহাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এটি ছিল বাংলাদেশের দ্বিতীয় জয়।

৫- ওয়ানডে ফরম্যাটের এশিয়া কাপে এটি বাংলাদেশের পঞ্চম জয়।

৬- ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ছয় নম্বর শতক হাঁকান মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এটি তৃতীয় সর্বাধিক।

৪৩- ইনিংস পর শূন্য রানে আউট হয়েছেন সাকিব আল হাসান। এর আগে ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে রানের হাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরেন তিনি।

৫৫.১৭-মুশফিকের করা ১৪৪ রানের ইনিংসটি ছিল দলের শতকরা রানের ৫৫.১৭ ভাগ। বাংলাদেশের হয়ে ১১জন ব্যাটসম্যান ব্যাট করেছে এমন ম্যাচে যা সর্বোচ্চ। এশিয়া কাপেও এটি দলের রানের খাতায় অবদান রাখার সর্বোচ্চ রানের শতকরা অনুপাত।

১০০- দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এবারই প্রথম ১০০ কিংবা তারও অধিক রানের ব্যবধানে ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ।

১২৪- বাংলাদেশের বিপক্ষে ১২৪ রানে অল-আউট হয় লঙ্কানরা। যা ওয়ানডেতে দলটির বিপক্ষে ওয়ানডে ষষ্ঠ সর্বনিম্ন স্কোরের রেকর্ড।

১৩৭- এশিয়া কাপের ইতিহাসে বাংলাদেশের রানের ব্যবধানে সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয়। তাছাড়া ওয়ানডেতে এটি বাংলাদেশের বড় জয়ের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে ষষ্ঠস্থানে।

১৪৪- এশিয়া কাপের ইতিহাসে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। প্রতিযোগিতার ইতিহাসে কোনো ব্যাটসম্যানের পক্ষে যৌথভাবে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস। তাছাড়া বাংলাদেশের জন্যও ওয়ানডেতে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের কোনো বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানের পক্ষে এটি সর্বোচ্চ রানের ইনিংস।

১৫০- মুশফিকুর রহিম লঙ্কানদের বিপক্ষে মোকাবেলা করেন ১৫০ বল। যা বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে চতুর্থ সর্বাধিক বল খেলার রেকর্ড। তার আগে শাহরিয়ার নাফীস, সাকিব আল হাসান তামিম ইকবাল এক ইনিংসে ১৫০ বল মোকাবেলা করার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।


আরও পড়ুনঃ টুইটারে প্রশংসার জোয়ারে ভাসছেন তামিম ইকবাল

Also Read - দর্শকদের জয় উৎসর্গ করলেন মাশরাফি

Related Articles

এই মিরাজ অনেক আত্মবিশ্বাসী

মিঠুনের ‘মূল চরিত্রে’ আসার তাড়না

‘আঙুলটা আর কখনো পুরোপুরি ঠিক হবে না’

এক নয় মাশরাফির তিন ইনজুরি

‘বিশ্ব ক্রিকেটে সম্মানজনক জায়গা আদায় করেছে বাংলাদেশ’