Scores

ওপেনিংয়ের তামিম সাত নম্বরেও পারেন

নিয়মিত ওপেনার হয়েও দলের প্রয়োজন মেটাতে ব্যাট করতে নামলেন সাত নম্বর ব্যাটিং পজিশনে। ওপেনিংয়ের মত সেখানেও সফল তানজিদ হাসান তামিম। নিজের অনবদ্য ব্যাটিং শৈলীতে বিশ্বকাপজয়ী অনূর্ধ্ব-১৯ দলের এ ক্রিকেটার বার্তা দিয়ে রাখলেন; ওপেনিং থেকে সাত নম্বর, সব জায়গাতেই আস্থা রাখা যায় তার উপর।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের দ্বিতীয় ও শেষদিনের খেলা তখনও শুরু হয়নি। বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রভাবশালী এক কোচ আড্ডার ফাঁকে বললেন, বিশ্বকাপজয়ী অনূর্ধ্ব-১৯ দল থেকে যদি কেউ উপরের পর্যায়ে যায়, তবে সেটা সবার আগে তানজিদ হাসান তামিম করে দেখাবে।

Also Read - দলে নিয়মিত হয়েও রাহীর কণ্ঠে আক্ষেপ


তবে ওপেনার তামিমকে আজ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। বিসিবি একাদশের হয়ে ওপেন করতে নামলেন নাইম শেখ এবং পারভেজ হোসেন ইমন। একে একে মাহমুদুল হাসান জয়, শাহাদাত হোসেন, আকবর আলীরা আউট হলে অবশেষে ৭ নম্বরে ব্যাট করতে নামলেন তামিম। দলীয় ৬৯ রানে ৫ উইকেট হারানোর পরেও কোন চাপ নেননি তিনি। উল্টো জিম্বাবুয়ের বোলারদের চাপে ফেলে শতক তুলে নেন তামিম।

ম্যাচ শেষে গণমাধ্যমের সাথে কথা বলতে আসেন তামিম। প্রশ্ন ওঠে তার ব্যাটিং পজিশন নিয়ে। জবাবে তামিম বলেন, ‘আসলে এই দলে অনেক সিনিয়র ক্রিকেটার। আমিও প্রস্তুত ছিলাম, যেখানেই সুযোগ আসে যেন কাজে লাগাতে পারি।’

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে বিশ্বকাপজয়ী দলের ৬ ক্রিকেটার সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে সতীর্থরা ব্যর্থ হলেও ব্যাট হাতে আলো ছড়িয়েছেন তামিম। অনেকেই ব্যর্থতার জন্য কাঠগড়ায় তুলছেন প্রস্তুতিকে। বিশ্বজয়ের পর দেশে ফিরে ছুটিতে ছিলেন ক্রিকেটাররা, যার ফলে নিজেদেরকে সেভাবে প্রস্তুত করতে পারেননি।

তবে অন্যদের থেকে এখানেও আলাদা তামিম। প্রস্তুতি ম্যাচে অংশ নিতে নিজ জেলা বগুড়া থেকে ঢাকা ফেরার আগে বগুড়াতেই দুই সেশনের ব্যাটিং অনুশীলন সেরে এসেছেন তিনি। যার ফল পেয়েছেন মাঠে। অনেকটা টি-টোয়েন্টি স্টাইলে ব্যাটিং করে মাত্র ৯৯ বলে শেষপর্যন্ত ১২৫ রানে অপরাজিত থাকেন। যেখানে ১৪টি চারের সাথে ছক্কা হাঁকিয়েছেন ৫টি।

তবুও এমন অর্জনের কৃতিত্ব একা নিতে চান না যুব বিশ্বকাপে ৬ ম্যাচে ওপেনিংয়ে নেমে ১৪৬ রান করা এ ব্যাটসম্যান। অর্জনের ভাগ দিয়েছেন আরেক সেঞ্চুরিয়ান আল-আমিন জুনিয়রকেও। যার সাথে ষষ্ঠ উইকেটে অবিচ্ছেদ্য ২১৯ রানের পার্টনারশিপ গড়েছেন তামিম।

ম্যাচ শেষে তামিম বলেন, ‘আসলে সত্যি কথা বলতে ভাই (আল-আমিন) আমাকে অনেক সমর্থন করেছেন। আমি ভাইকে ধন্যবাদ দিতে চাই। যখন ক্রিজে আসি তখন পরিস্থিতিটা সত্যি অন্যরকম ছিল, আমরা চাপে ছিলাম। তো ভাইয়া আমাকে শুধু বলেছে, স্বাভাবিক খেলাটা খেলার জন্য।’

‘আমি যখন অন্যমনষ্ক হয়ে যাচ্ছিলাম তখন ভাই আমাকে সাহায্য করেছে স্বাভাবিক থাকতে বলেছে। ভাই অনেক অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। ম্যাচে উনার সেঞ্চুরিটাও উপভোগ করেছি।’ সাথে যোগ করেন তিনি।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

মাশরাফির সাথে বোলিং করার স্বপ্ন অভিষেকের

তামিমের স্বপ্ন তামিমের সাথে ওপেন করা

জাতীয় দলের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন সাকিব-তামিম

“ভারতের সাথে যখনই দেখা হোক, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না”

বিশ্বকাপজয়ী তামিম-হৃদয়দের কাছে মোহামেডানের পরাজয়