Score

কবে শেষ হবে তামিমের পুনর্বাসন?

এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে পাওয়া মারাত্মক চোট তাকে ছিটকে ফেলেছে মাঠের বাইরে। দলের সবাই ফাইনাল পর্যন্ত ছিলেন ক্রিকেট নিয়ে ব্যস্ত, তামিম তখন ইনজুরি সারিয়ে তোলার দিকে গভীরভাবে মনোযোগী।

চোটের কারণে প্রথম ম্যাচে তামিমকে নিয়ে শঙ্কা

বাঁহাতের কবজির সেই চোট সারাতে তামিম ইংল্যান্ডে গিয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকও দেখিয়ে এসেছেন। এবার অপেক্ষা সেরে ওঠার। বিশেষজ্ঞ’র দেওয়া দাওয়াই অনুযায়ী দেশের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চলছে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া, যা চলবে আরও প্রায় তিন সপ্তাহ।

বুধবার সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তামিমের ইনজুরি নিয়েও কথা বলেন বিসিবির চিকিৎসক দেবাশীষ বিশ্বাস। তামিম চোট পাওয়ার পর আড়াই সপ্তাহের মত সময় অতিবাহিত হয়েছে। বর্তমানে তার পুনর্বাসন প্রক্রিয়া এগোচ্ছে ইংলিশ চিকিৎসকের বাতলে দেওয়া উপায়েই।

Also Read - লো-স্কোরিং ম্যাচ জিতে প্রোটিয়াদের সিরিজ জয়

দেবাশীষ বলেন, ১৮ দিনের মতো হয়ে গেছেওর হাতের সমস্যা নিয়ে ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটনের হাতের শল্যবিদের (ডেভিড ওয়ারউইক) সঙ্গে দেখা করেছে, তার পরামর্শ অনুযায়ী আমরা পুনর্বাসন পরিকল্পনা ঠিক করেছি।’

আগামী তিন সপ্তাহ তামিম থাকবেন দেশের ফিজিও থেরাপিস্টদের তত্ত্বাবধানেই। দেবাশীষ জানান, এখন আমাদের ফিজিও থেরাপিস্টরাই কাজ করছে, সেই নির্দেশিকা অনুসরণ করছেচিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত ওর পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করছিএর মধ্যে কিছুদিন চলে গেছেআগামী সপ্তাহ তিনেকের মতো এভাবেই চালানোর পরিকল্পনা করেছি।’

পুনর্বাসন না হয় চলবে আরও তিন সপ্তাহ। তবে তামিম ক্রিকেটে ফিরবেন কবে? বিসিবির এই চিকিৎসক জানিয়েছেন, সেরে উঠলে তিন সপ্তাহ পরই তামিমের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম শুরু করা হবে, ২০ অথবা ২৫ তারিখের দিকে ওকে আমরা আবার পর্যবেক্ষণ করবপর্যবেক্ষণের পরে যদি দেখা যায় ওর হাত স্বাভাবিক কার্যক্রম পুরো ফিরে পেয়েছে, তাহলে ক্রিকেটীয় কাজগুলো শুরু করবআর যদি দেখা যায় উন্নতি সন্তোষজনক নয়, তখন হয়তো আবার দেখতে হবেআপাতত সপ্তাহ তিনেকের মতো সময় লাগবে প্রাথমিক পুনর্বাসনপ্রক্রিয়া শেষ করতে।’

আরও পড়ুন: তিন সপ্তাহেই ফিরবেন মাশরাফি; দেবাশীষের প্রত্যাশা

Related Articles

সাকিবের দেশে ফেরায় প্রধান ভূমিকা পাপনের!

অস্ত্রোপচার নাও লাগতে পারে সাকিবের!

বোর্ডের মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠছে ক্রিকেটারদের চোট

৬০-৭০ ভাগ সেরে উঠলেই খেলতে পারবেন সাকিব

‘সাকিব মানসিকভাবে শক্ত, একজন যোদ্ধা’