কাউন্টিতে ভূতুড়ে ম্যাচ, দেড় দিনে পড়ল ৪০ উইকেট

২০০৬ সালের পর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সবচেয়ে দ্রুত শেষ হওয়া ম্যাচ এটি, যে ম্যাচে খেলা হয়েছে মাত্র ৭৫০ বল।

কাউন্টিতে ভূতুড়ে ম্যাচ, দেড় দিনে পড়ল ৪০ উইকেট

বিডিক্রিকটাইম স্টাফ
বিডিক্রিকটাইম রিপোর্ট

প্রকাশিত হয়েছে -

আপডেট হয়েছে -

লাল বল অর্থাৎ লঙ্গার ভার্শনের ক্রিকেটে ব্যাটাররা চাইলে দীর্ঘ সময় ব্যাট করতে পারেন। ক্রিকেটের ধ্রুপদী বেশ কিছু ইনিংসের সাক্ষী এই সাদা পোশাকের ক্রিকেট। তাই বলে বোলাররা অসহায়- এমনও কিন্তু নয়। চাইলে তারাও গুঁড়িয়ে দিতে পারেন ব্যাটারদের। সেই নজির নতুন করে মিলল কাউন্টিতে।
কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ ডিভিশন ওয়ানের খেলায় এসেক্স ও ল্যাঙ্কাশায়ারের ম্যাচে ম্যাচে ব্যাটাররা যেন উইকেট বিলিয়ে দেওয়ার মিশনে নেমেছিলেন। অবশ্য বোলারদের কৃতিত্বকেও খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। তবে বিশ্বসেরা বোলিং লাইনআপ হলেও ব্যাটাররা এমন অসহায় হয়ে পড়তেন কি না তা ভাববার বিষয় বটে। ম্যাচের প্রথম দিনই দুই দলের প্রথম ইনিংস শেষ হয়ে যায়। আসলে ম্যাচের চার ভাগের আড়াই ভাগেরই ইতি ঘটে প্রথম দিনের খেলায়।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ল্যাঙ্কাশায়ারের ইনিংস থামে ১৩১ রানে, ৩৯.৫ ওভারে। সিমন হার্মার পাঁচটি, স্যাম কুক তিনটি ও শেন স্ন্যাটার দুটি উইকেট শিকার করেন এসেক্সের পক্ষে। ল্যাঙ্কাশায়ারের কেউই পাননি অর্ধশতকের দেখা।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৩৯.১ ওভারে ১০৭ রানে গুটিয়ে যায় এসেক্স। কিংবদন্তি অ্যালিস্টার কুক ৪০ রান করার পরও দলের এই দশা! বাকিদের স্কোর তাই বলার প্রয়োজন নেই। দলকে ২৪ রানের লিড এনে দিতে বড় ভূমিকা পালন করেন পাঁচ উইকেট শিকার করা টম বেইলি।
তবে এই লিডকে বেশি বড় করতে পারেনি ল্যাঙ্কাশায়ার। ৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর ২৫ রানে ৬ উইকেট নিয়ে শেষ করে প্রথম দিন। দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই ৭৩ রানে অলআউট হয় মাত্র ২৩.৪ ওভারে। শীর্ষ পাঁচ ব্যাটার মিলে করেন ২ রান, যেখানে ৪ জনই ফিরেছেন শূন্য রানে।
শেন স্ন্যাটার এবার একাই শিকার করেন ৬টি উইকেট। জিততে হলে এসেক্সকে করতে হতো মাত্র ৯৮ রান। কিন্তু হায়! এবারও সেই ব্যাটিং বিপর্যয়। কুৎসিত ব্যাটিংয়ের পরিচয় দিয়ে ২২.২ ওভারে মাত্র ৫৯ রানে গুটিয়ে যায় এসেক্সের ইনিংস। দেড় দিনেই ল্যাঙ্কাশায়ার পায় ৩৮ রানের জয়। দ্বিতীয় ইনিংসে দলের পক্ষে জর্জ বাল্ডারসন পাঁচটি ও উইল উইলিয়ামস চারটি উইকেট শিকার করেন। বাল্ডারসন আবার হ্যাটট্রিকও করেন। গোটা ম্যাচে একটিও অর্ধশতক ছিল না।
২০০৬ সালের পর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সবচেয়ে দ্রুত শেষ হওয়া ম্যাচ এটি, যে ম্যাচে খেলা হয়েছে মাত্র ৭৫০ বল। এর আগে ২০০৮ সালে দিল্লী ও ওড়িশার একটি ম্যাচ ৭৭৩ বলে শেষ হয়ে গিয়েছিল। যদিও সেই ম্যাচ এই ম্যাচের মতো ভূতুড়ে ছিল না, অর্থাৎ ৪০ উইকেটের পতন ঘটেনি!
বাংলাদেশের ক্রিকেটসহ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সব ধরনের খবর সবার আগে পেতে এখানে ক্লিক করে সাবস্ক্রাইব করুন BDCricTime Videos চ্যানেলটি।
বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।
সম্পর্কিত খবর