Score

কেন পাপনের দায়িত্ব গ্রহণের সময় ছিলেন না ভারতীয় কেউ?

গত ১৭ নভেম্বর এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় ছিলেন না ভারত কিংবা বিসিসিআইয়ের কোনো প্রতিনিধি। প্রশ্ন জাগছেই- কেন ছিলেন না?

কেন পাপনের দায়িত্ব গ্রহণের সময় ছিলেন না ভারতীয় কেউ?

প্রতি বছরই এসিসির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি দুই বছর অন্তর একজন নতুন সভাপতি নির্বাচিত হন, অর্থাৎ দুটি সভার মধ্যে একটি সভায় দায়িত্ব নেন নতুন কোনো প্রধান। সেদিক বিবেচনায় এবারের সভাটি ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই সভাতেই অংশ নেননি এশিয়ার সবচেয়ে প্রভাবশালী ক্রিকেট সংস্থা বিসিসিআই তথা ভারতের ক্রিকেটের কোনো কর্তা।

এসিসির ২৫ বছরের গৌরবময় ইতিহাসে এবারই প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হল ভারতকে ছাড়াই। সাধারণ সভায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা থাকলেও সেগুলো সম্পর্কে আলোচনা হয়েছে এশিয়ার ক্রিকেটের সবচেয়ে ক্ষমতাধর সংস্থার প্রতিনিধির মতামত না নিয়েই। ভারতের এই অনুপস্থিতি এজেন্ডাগুলোর চেয়েও বেশি আলোচনার অংশ হয়ে ছিল।

Also Read - “ছেলেরা ফিল্ডিংয়ে আরও উন্নতি করবে”

এসিসি তো বটেই, বৈশ্বিক ক্রিকেটেও ভারতের প্রতাপ কম নয়। এসিসির সভায় দেশটির কোনো প্রতিনিধি না যাওয়া তাই মনে জাগিয়েছে হাজারো প্রশ্ন। যেখানে খোদ আইসিসি সিইও ডেভ রিচার্ডসনই উপস্থিত ছিলেন, সেখানে কেন এলেন না ভারতের কেউ?

উত্তর বা কারণটা অবশ্য ‘রাজনৈতিক’। ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিবাদ দীর্ঘদিন ধরে। পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিষিদ্ধ হওয়ার পর থেকে ভারতের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলা হচ্ছে না একবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানে আংশিকভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরলেও ভারত এখনও পাকিস্তান-বিমুখ হয়েই আছে। দুই দেশের রাজনৈতিক বৈরিতার ছায়া পড়ছে ক্রিকেটের আঙিনাতেও। আর ঐ ইস্যুতেই এসিসি সভা বয়কট করেছে ভারত।

কিন্তু পাকিস্তান-ভারত সম্পর্কে বৈরিতার সাথে এসিসি সভার কী সম্পর্ক? সেটি হল- এবারের এসিসি বার্ষিক সভার আয়োজক যে ছিল পাকিস্তান! লাহোরে অনুষ্ঠিত এই সভায় যোগ দেওয়া মানে পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনে সম্মতি জানানো; গণমাধ্যম অনুযায়ী ভারতের ক্রিকেট অঙ্গনে এমন একটি ধারণা স্পষ্ট ছিল। আর ভারত সবসময়ই পাকিস্তানের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেই আসছে।

যদিও ভারত হকি দল আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই পাকিস্তান সফরে যাবে। এরপরও ক্রিকেটে রাজনৈতিক সংস্পর্শ আর এই শীতল সম্পর্ক আরেকটি প্রশ্ন মনে জাগায়- দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর ক্রিকেটীয় সম্পর্ক কি আগের মত ভালো হবে না?

আরও পড়ুন: ধোনির থেকে প্রত্যাশা কমানোর পরামর্শ কপিলের

Related Articles

সিলেটের টি-২০ ম্যাচের সময় এগিয়ে এলো ২ ঘণ্টা

শ্রীলঙ্কার ওয়ানডে ও টি-২০’র নেতৃত্বে মালিঙ্গা

ফৌজদারি অপরাধ হচ্ছে ম্যাচ ফিক্সিং?

সিরিজ নির্ধারণী শেষ ওয়ানডেতে হাসবে কারা?

আগামী এশিয়া কাপের আয়োজক পাকিস্তান!