কেমন ছিল জাহানারার পরিকল্পনা?

ইতিহাস রচনার পর পেরিয়ে গেছে একদিন। এখনও আলোচনায় বাংলাদেশি প্রমীলা ক্রিকেট দলের এশিয়া কাপ জয়।

কেমন ছিল জাহানারার পরিকল্পনা?
শিরোপাজয়ী রানের পর জাহানারাকে নিয়ে সতীর্থদের উল্লাস। ছবিঃ এসিসি

রোববার মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে ভারতের বেঁধে দেওয়া ১১৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে বাংলাদেশ জয়ের দেখা পায় ইনিংসের শেষ বলে। ঐ বলে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২ রান। নতুন ব্যাটার হিসেবে জাহানারা আলম ছিলেন স্ট্রাইকিং প্রান্তে। শেষ বলে যখন ২ রান প্রয়োজন- স্ট্রাইকে থাকা ব্যাটারের মানসিক চাপ থাকার কথা আকাশসম। সেই চাপ সামলে ঠিকই জাহানারা বের করে নিয়েছিলেন জয়। তা শেষ বল মোকাবেলার আগে কেমন ছিল তার পরিকল্পনা?

অনলাইন সংবাদমাধ্যম ঢাকা ট্রিবিউন’র সাথে আলাপকালে জাহানারা জানিয়েছেন ঐ মুহূর্তে কেমন ছিল তার পরিকল্পনা।

Also Read - ‘যে দৌড় চলবে তো চলবেই, থামবে না’

ম্যাচের শেষদিকে ক্রিজে নেমে স্ট্রাইক পাওয়াই ছিল জাহানারার প্রথম লক্ষ্য। তিনি বলেন, ‘মাত্র দুই বল থাকতে আমি ক্রিজে নেমেছিমাথায় চিন্তা ছিল, একটা বল হলেও যেন পাইকারণ, এর আগে বেশ কিছু ম্যাচ খুব কাছে গিয়েও হেরেছিআমি অপরপ্রান্তে কেবল চেয়ে চেয়ে দেখেছি!’

দলের জয় যখন তার ব্যাটিংয়ের উপর নির্ভর করছিল, তখন জাহানারার পরিকল্পনা ছিল এমন-

‘শেষ বলে আমার লক্ষ্য ছিল সোজা বল আসলে সোজা ব্যাটে ওভার বাউন্ডারি খেলবোতাতে করে ছয় না হলেও চার হয়ে যাবেআর বল সোজা না করে কাটার করলে গ্যাপে শট খেলবো, যাতে দুটি রান আসে

তবে হারমানপ্রীতের ডেলিভারিটিকে সীমানা ছাড়া করার মত সুযোগ পাননি জাহানারা। তিনি বলেন, ‘ও (হারমানপ্রীত) বলটা খুব বেশি ফ্লাইটও দেয় নাই, জোরের ওপরও করেনিবলটি লেগ স্ট্যাম্প ক্রস করে যাচ্ছিলআমি শুধু এগিয়ে এসে মিড উইকেটের দিকে ব্যাট চালিয়েছি।’

স্নায়ুচাপ সামলে দৌড়ে দুই রান নেওয়া মুখের কথা নয়। তবে অধিনায়ক সালমা খাতুনকে সঙ্গে নিয়ে সেটিই করেছেন জাহানারা। এক রান সংগ্রহের পর দ্বিতীয় রানের জন্য ছিলেন মরিয়া।

জাহানারা বলেন, ‘প্রথম রানটা নেওয়ার পরেই আমার মাথায় আসে দ্বিতীয় রানে প্রয়োজন হলে ডাইভও দিবোতাতে যে ঝুঁকিই আসুক না কেন

আরও পড়ুনঃ উইন্ডিজ সফরেও নেই মুস্তাফিজ

Related Articles

আইসিসির প্রামাণ্যচিত্রে বাংলাদেশের মেয়েরা

এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতলো বাঘিনীরা

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে রুদ্ধশ্বাস জয়

প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে জাহানারার পাঁচ উইকেট

জাহানারাকে তাড়া করছিল ইনচনের দুঃস্বপ্ন