Scores

ক্যারিয়ার বদলে দেওয়া তিনজনের কাছে চিরকৃতজ্ঞ কোহলি

বর্তমান সময়ে বাইশ গজের রাজা তিনি। ব্যাট হাতে শাসন করেন প্রতিপক্ষের বোলারদের। তরুণ ও উঠতি ক্রিকেটারদের আইডল যিনি, সেই বিরাট কোহলি ক্যারিয়ারের শুরুতে নিজের ব্যাটিং নিয়ে বেশ বিপাকে পড়েছিলেন। পরে তিনজন মানুষের সান্নিধ্য পেয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন কোহলি। এতেই আজ বিশ্ব ক্রিকেটের নাম্বার ওয়ান ব্যাটসম্যান তিনি।

১৯ বছর বয়সে ভারতীয় দলে অভিষেকের পর সময়টা ভালো যাচ্ছিলোনা বিরাটের। ব্যাট করতে নামলে ফ্রন্ট ফুটের সমস্যায় পড়ছিলেন কোহলি। তখন জাতীয় দলে কোচ হিসেবে পেয়েছেলিন ২০১১ সালের বিশ্বকাপজয়ী কোচ গ্যারি কারস্টেনকে। পরে নিজের সমস্যার কথা কারস্টেনের কাছে খুলে বলেন কোহলি। তখনকার ইতিবাচক পরামর্শে সফলতা পেয়েছেন ভারতীয় অধিনায়ক।

Also Read - ১৯ বছর পর ক্ষমা চাইলেন নিষিদ্ধ পাকিস্তানি ক্রিকেটার


সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কোহলি জানিয়েছেন, ‘ক্রিকেটার হিসেবে এগিয়ে চলার পথে এমন কয়েকজন মানুষের সাহায্য পেয়েছি, যা কখনও ভুলব না। তাদের মধ্যে অন্যতম স্যার গ্যারি কারস্টেন। ভারতীয় দলে উনি ছিলেন আমার প্রথম কোচ। তার সঙ্গে একটা সেশনই বদলে দিয়েছিল আমার ক্রিকেট ক্যারিয়ার।’

‘জাতীয় দলে ডাক পেয়েও ব্যাটিং নিয়ে সন্তুষ্ট হতে পারছিলাম না। ব্যাট করার সময় সামনের পা অনেকটা বেরিয়ে যেত। সব শুনে উনি বললেন, তোমার মাথাটা একেবারে সঠিক জায়গায় থাকছে। বলও প্যাডে লাগছে না। তাহলে কেন তুমি সামনের পা কোথায় যাচ্ছে তা নিয়ে এত ভাবছো? কারস্টেনের ইতিবাচক পরামর্শ আমার চিন্তা-ভাবনা পুরোপুরি বদলে দিয়েছিল।’ সাথে আরও বলেন তিনি।

ফ্রন্ট ফুটের সমস্যার মত শর্ট বল নিয়েও ভুগতে হচ্ছিলো কোহলিকে। ২০০৮ সালে যেবার প্রথমবারের মত আইপিএল পর্দা উঠে, সেই সময় আইপিএলের দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুতে সতীর্থ হিসবে পেয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মার্ক বাউচারকে। সেই বাউচারই কোহলিকে শর্ট বলের দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছিলেন।

এ প্রসঙ্গে কোহলি বলেন, ‘২০০৮ সালে বাউচার আমাকে হাতে ধরিয়ে শর্ট বল খেলা শিখিয়েছিলেন। উনি বলেছিলেন, তোমার মধ্যে প্রচুর প্রতিভা রয়েছে। সেরা হতে হলে শর্ট বলের সমস্যা তোমাকে দ্রুত কাটিয়ে উঠতে হবে। এটা যদি না পারো তাহলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বেশি দিন টিকতে পারবে না।’

বাউচারের সাথে কিভাবে কাজ করে সফলতা পেয়েছেন সেটিও উল্লেখ করেছেন তিনি, ‘আমার খুব ভালো মনে আছে, একটা টেনিস বল আর র‌্যাকেট দিয়ে উনি আমাকে নেট সেশন করিয়েছিলেন। বাউচার একের পর এক শর্ট বল দিচ্ছিলেন, আর আমাকে তার মোকাবিলা করতে হচ্ছিল। ওই দিনগুলি আজও ভুলিনি।’

এছাড়াও ভারতের সাবেক কোচ ডানকান ফ্লেচারের ক্রিকেট দর্শন ও কোচিং পদ্ধতিরও ভূয়সী প্রশংসা করেছেন কোহলি, ‘আমি অনেক কোচের অধীনে খেলেছি। তবে ডানকানের মতো ক্রিকেট জ্ঞান খুব কম মানুষের মধ্যেই দেখেছি। ওর কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি, যা পরবর্তীকালে আমাকে দারুণভাবে সাহায্য করেছে।’

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

Related Articles

বোলিংয়ে নতুন অস্ত্র যোগ করছেন রশিদ

৬টি কেক কেটে যুবরাজের ‘৬ ছক্কা’র বর্ষপূর্তি উদযাপন

জম্মু-কাশ্মিরে দশটি স্কুল ও ক্রিকেট একাডেমি বানাবেন রায়না

সীমান্ত খুললেও দক্ষিণ আফ্রিকায় ফিরছে না আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

জার্গেনসেনের চুক্তি বাড়ল দুই বছর