Scores

গাজী গ্রুপের জয়রথ চলছে

ম্যাচসেরা হন পারভেজ
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের জয়ের ধারা অব্যহত রেখেছে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। ডিপিএলে পাঁচ ম্যাচে অপরাজিত নাদিফ-এনামুলরা। জয়ের ছন্দ ধরে রেখেছে আবাহনীর বিপক্ষেও।  রানের জয় পেয়েছে তারা।

গাজী গ্রুপকে বড় স্কোর এনে দেওয়ার কৃতিত্বটা দুই ব্যাটসম্যান এনামুল হক বিজয় ও পারভেজ রাসুলের। তবে দুইজনই বিদায় নিয়েছেন নার্ভাস নাইন্টিতে। তিন অঙ্ক থেকে বিজয় ছিলেন মাত্র তিন রান দূরে। পারভেজের আক্ষেপটা নয় রানের।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৩ রানের মাথাতেই প্রথম উইকেট হারায় গাজী গ্রুপ। এনামুলকে সঙ্গ দিতে পারেননি জহুরুল ইসলাম। ১২ বলে ৩ রান কয়রে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের শিকার হন তিনি। মুমিনুল হককে নিয়ে ৬১ রান যোগ করেন এনামুল। ২৯ বলে ২৩ রানের ইনিংস খেলে আফিফ হোসেন ধ্রুবর বলে বোল্ড হন মুমিনুল।

Also Read - নাটকীয় ম্যাচে এক রানের জয় দোলেশ্বরের


বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মুনিম শাহরিয়ার। ৮ রান করে মানান শর্মার বলে স্টাম্পিং হয়ে সাজঘরে ফিরে যান তিনি। এরপর দলের হাল ধরেন এনামুল হক ও পারভেজ রাসুল। ৯৩ রানের জুটি গড়েন দুজন। ১০৯ বল মোকাবেলা করে ৯৭ রান করেন এনামুল। তার ইনিংসে ছিল ৭ টি চার ও ৩ ছক্কা। মানান শর্মার বলে আউট হন তিনি।

পারভেজকে ভালোই সঙ্গ দেন নাদিফ চৌধুরী। তাদের ৮০ রানের জুটিতে বড় স্কোরের দিকে এগিয়ে যায় গাজী গ্রুপ। ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৮৭ বলে ৯১ রানের ইনিংস খেলেন পারভেজ। নাদিফের ব্যাট থেকে আসে ৪১ রানের একটি কার্যকর ইনিংস। ৫০ ওভার শেষে ৯ উইকেটে ২৮২ রান করে গাজী গ্রুপ।


আরো পড়ুনঃ নাটকীয় ম্যাচে এক রানের জয় দোলেশ্বরের


ব্যাট করতে নেমে আবাহনীকে ৫৫ রানের ভিত গরে দেন লিটন কুমার দাস ও সাইফ হাসান। তাদের জুটি ভাঙেন হোসেন আলি। ১৬ রান করে আউট হন সাইফ। পরের ওভারে নাঈম ইসলাম জুনিয়র বোল্ড করেন আরেক ওপেনার লিটনকে। ৪১ বলে ৪১ রান করেন লিটন। দুই ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে আবাহনী।

তৃতীয় উইকেটের জুটিতে ৩৪ রান সংগ্রহ করেন নাজমুল হোসেন শান্ত এবং মোহাম্মদ মিথুন। মিথুন থিতু হলেও স্কোর বড় করতে পারেননি। ২ চার ও ১ ছয়ে ২০ বলে ২১ রান করে আউট হন আলাউদ্দিন বাবুর বলে। নিজের পরের ওভারে শান্তকে বোল্ড করেন বাবু। ২৩ বলে ১৮ রান করে শান্ত। বাবুর এ স্পেলটি বিপাকে ফেলে দেয় আবাহনীকে।

পঞ্চম উইকেটে হাল ধরেন শুভাগত হোম ও আফিফ হোসেন ধ্রুব। কিন্তু তাদের জুটিও বড় হয়নি। ৩৩ রান সংগ্রহের পর হোমকে (১৮) বোল্ড কয়রে জুটি ভাঙেন মেহেদি। তবে ভালোই চলছিল আফিফের ব্যাট। মানান শর্মাকে নিয়ে ৪৪ রান যোগ করেন আফিফ। ২৩ বলে ১৮ রান করে বাবুর তৃতীয় শিকারে পরিণত হন মানান। তবে এ জুটি মোটেও যথেষ্ট ছিল না আবাহনীর জন্য। পরের ওভারে সুজন হাওলাদারকে ফেরান হোসেন আলি। এতে চাপে পড়ে যায় আবাহনী।

সাইফুদ্দিনকে হাল ধরেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। ৪৩ রানের জুটি গড়েন দুজন। তাদের জুটিতে ম্যাচে টিকে থাকে আবাহনী। আবাহনীর বড্ড দূর্ভাগ্য! ২৬ রান কয়রে হিট আউট হন আবু হায়দার রনি। পরের ওভারে পারভেজ ফেরান কাজী অনিককে। শেষ উইকেটে সাকলাইন সজীবকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যান ধ্রুব। ১৮ রান তুলেন তাকে নিয়ে। ৪ রান করে আবু হায়দার রনির বলে সাকলাইন বোল্ড হলে ২৫ রানের জয় পায় গাজী গ্রুপ।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ গাজী গ্রুপ ২৮২/৯, ৫০ ওভার
এনামুল ৯৭, পারভেজ ৯১, নাদিফ ৪১
অনিক ৩/৫৮, সাইফুদ্দিন ৩/৫৬

আবাহনী ২৫৭/১০, ৪৮.১ ওভার
ধুরব ৭৬*, লিটন ৪২, সাইফুদ্দিন ২৬
বাবু ৩/৪৫, আলি ২/৩৮

-আজমল তানজীম সাকির, প্রতিবেদক, বিডিক্রিকটাইম ডট কম 

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

পাকিস্তানের ক্লাবগুলোতে বাংলাদেশের মত উন্মাদনা নেই : ওয়াসিম

লিটনের ‘বড় ভক্ত’ সুজন

টেস্ট স্কোয়াড ছেড়ে ডিপিএলে কেন তিন ক্রিকেটার?

ডিপিএলে মাশরাফি-এনামুলের দলবদল

আট উইকেটের জয় আবাহনীর