গেইলের সঙ্গে ব্যাটিংয়ের অভিজ্ঞতা অসাধারণ- তামিম

গতবার চিটাগং ভাইকিংসকে শেষ চারে তুলতে ব্যর্থ ছিলেন তামিম ইকবাল। এবারই প্রথম প্লে-অফ খেললেন বাঁহাতি ওপেনার। তবে এলিমিনেটর ম্যাচে ড্যারেন স্যামির রাজশাহী কিংস ৩ উইকেটে হারিয়েছে তামিম ইকবালের চিটাগং কিংসকে। ফলে, আসরে দারুন খেললেও কিছুটা অতৃপ্তি নিয়েই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হলো তামিমের।

তবে এবার এক দারুন অভিজ্ঞতা হয় তার। ক্রিস গেইলের সঙ্গে জুটি বেধে বিপিএলে ব্যাটিং করেছেন তামিম ইকবাল। তাতে রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতাই হয়েছে তামিমের।

Advertisment

3606_130

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে গেইলের সঙ্গে ব্যাটিংয়ের অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে চিটাগং ভাইকিংসের অধিনায়ক জানান, ‘গেইলের সঙ্গে ব্যাটিংয়ের অভিজ্ঞতা অসাধারণ। এটা ভিন্ন অভিজ্ঞতা। যে বলগুলোতে সাধারণত পৃথিবীর যে কোনো ব্যাটসম্যানরা এক বা দুই নেয়, ওগুলো গেইল ছয় মেরে দেয়। আমার জন্য একটু দুর্ভাগ্য আমি বেশি দেখতে পারিনি। তবে যতটুকু দেখছি সেটা ছিল দুর্দান্ত।’

তবে ক্রিস গেইলকে এনেও বিপিএলে ফাইনালের পথে হাঁটতে পারেনি চিটাগং। গেইল আজ ৪৪ রানের ইনিংস খেললেও পাঁচ ম্যাচে তার মোট রান ১০৯। নামের পাশে ঠিক মানানসই নয়। তামিম অবশ্য তাতে খুব হতাশ নন। গেইলের ভালো খেলার চেষ্টা ও সতীর্থদের সঙ্গে আন্তরিকতাকেই বড় করে দেখছেন তিনি, ‘ক্রিকেট এমন একটা জিনিস আপনি যত বড় খেলোয়াড় আনেন না কেন, পারফরম্যান্স হবে কী হবে না, এটার গ্যারান্টি নেই। ওর আচরণ যেটা ছিল তাতে আমি খুশি। সে মন-প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করেছে। হৃদয় থেকে সব ধরনের সাহায্য করার চেষ্টা করেছে।’

এদিকে মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের পর তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ- বিপিএলে ১ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করলেন চিটাগাং ভাইকিংসের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। টুর্নামেন্টের চতুর্থ আসরের এলিমিনেটর ম্যাচে রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে ৪৬ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেলে বিপিএলের ১ হাজার রানের তালিকায় নিজের নাম তুলেন তামিম। বিপিএলের চার আসরে ৩৬ ম্যাচে ১২ অর্ধশতকে এই রান করেন তামিম। মেরেছেন মোট ১০৪ টি চার পাশাপাশি ছয় মেরেছেন ৩০ টি।

চলতি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে চিটাগং ভাইকিংসের অধিনায়ক তামিম ইকবাল সামনে থেকে অবদান রেখে দলকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রানের মালিক এই ড্যাশিং ওপেনার। ১৩ ম্যাচে ৪৩ গড়ে তামিম করেছেন ৪৭৬ রান। এদিকে ৬ টি অর্ধশতক করে গড়েছেন অনন্য রেকর্ড। ।

 

  • মাকসুদুল হক, বিডিক্রিকটিম।