Scores

গ্যালারীতে থাকছেন মুশফিকের বাবা

বাবা-মায়ের সাথে মুশফিক।
বাবা-মায়ের সাথে মুশফিক।

মোঃ সিয়াম চৌধুরী

এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলকে উৎসাহ দিতে অস্ট্রেলিয়া আছেন মাহবুব হামিদ। বাংলাদেশ দলে আছেন তাঁর ছেলে সাবেক অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের একজন আইকনিক ফ্যানে পরিণত হওয়া মাহবুব হামিদ এবার সুদূর অস্ট্রেলিয়াতেই থাকছেন বাংলাদেশ দলকে সাপোর্ট দিতে। গতকাল রবিবার অস্ট্রেলিয়ায় উড়াল দেন তিনি। সাথে যাওয়ার কথা ছিল মুশফিকের মায়েরও, তবে অসুস্থতার কারণে সফরের শেষদিকে এসে সিদ্ধান্ত পাল্টাতে হয়েছে এই রত্নগর্ভাকে। দুই ভাইকে নিয়েই অস্ট্রেলিয়ার বিমানে চেপেছেন মাহবুব হামিদ।

Also Read - ব্যাট হাতে উজ্জ্বল রনি ও মজিদ


বিশ্বকাপকে সামনে রেখে কিছুটা চিন্তিত মাহবুব হামিদ। ‘ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয়, আবহাওয়া ‍ওদের সঙ্গে ম্যাচিং করছে না। সঙ্গে ওদের কন্ডিশন। এই দুইটা আমাদের পুরো বিপরীত। হয়তো ১৫ দিন ওরা ওখানে অনুশীলন করার সুযোগ পেয়েছে। কিন্তু অনুশীলন তো আর ম্যাচ নয়। বেশী বেশী করে ম্যাচ খেললে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সুবিধা হতো।’

কোনো দলকে ছোট করে দেখতে নারাজ মাহবুব হামিদ। তাঁর মতে, ভিন্ন কন্ডিশনের কারণে কিছুটা পিছিয়ে থেকেই মাঠে নামবে তাঁর ছেলেরা, ‘বিশ্বকাপের আগে ভারত-পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা ওই কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে টানা ম্যাচ খেলেছেন। আমি মনে করি, আয়ারল্যান্ড-স্কটল্যান্ডকে ছোট করে দেখার কিছু নেই। অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের উইকেটের সঙ্গে স্কটল্যান্ড-আয়ারল্যান্ডের উইকেটের মিল রয়েছে। ওরা এমন কন্ডিশনে খেলে অভ্যস্ত।’

তবুও টাইগাররা ভালো করবে, এমন বিশ্বাস মাহবুব হামিদের। প্রস্তুতি ম্যাচের ব্যর্থতা ভুলে সামনের ম্যাচগুলোর দিকে তাকাচ্ছেন তিনি, ‘আমার বিশ্বাস, মূল ম্যাচে দলের ক্রিকেটাররা ঘুরে দাঁড়াবে। পুরো দলের কাছে আমার প্রত্যাশা ভাল ক্রিকেট উপহার দেওয়ার। বিশ্বকাপের খেলা দেখার জন্য অস্ট্রেলিয়াতে যাচ্ছি। ওর মায়েরও যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শরীর খারাপ বলে নিচ্ছি না।’

বিশ্বকাপে ছেলের একটি সেঞ্চুরি দেখতে চান জানিয়ে বাংলাদেশের সবকটি ম্যাচের গ্যালারীতে থাকা এই একনিষ্ঠ সমর্থক বলেন, ‘ছেলের কাছে প্রত্যাশা থাকবে বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি হাঁকানো। দলকে জেতাতে তার সেঞ্চুরি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আমি আশা করব, আমাদের ছেলে দেশের জন্য এমন কিছুই করবে।’

ক্রিকেট আর ছেলের প্রতি মাহবুব হামিদের অনুরাগ প্রকাশ পেলো এই কথায়, ‘ছেলের খেলাগুলো মাঠে বসে না দেখতে পারলে ভাল লাগে না। চেষ্টা করেছিলাম আরও আগে যাওয়ার কিন্তু যেতে পারিনি। ব্যবসায়ের কাজে ব্যস্ত থাকায় একটু সমস্যা হয়েছে। আগামী ১৫ তারিখে আমি যাচ্ছি। শুধু আমি নয়। আমার আরও ২ ভাই যাচ্ছে। এছাড়া আমার ছেলের বউ ২৯ তারিখের দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।’

বাবাকে পাশে পাচ্ছেন। গ্যালারী থেকে সমর্থন পেতে পারেন স্ত্রী জান্নাতুল কিফায়াতেরও। মুশফিক নিশ্চয়ই অপেক্ষা করছেন মাঠে নামার…

Related Articles

ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে হাসপাতালে মাশরাফি

এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতলো ভারত

মেডিকেল রিপোর্টের উপরেই নির্ভর করছে সাকিবের এনওসি

শঙ্কা কাটিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলছেন মুস্তাফিজ

দুদকের শুভেচ্ছাদূত হলেন সাকিব