‘ঘরের ছেলে’ নেই এবার ১৬ বছর পর

দীর্ঘ ১৬ বছর পর চট্টগ্রামের মাটিতে বাংলাদেশের কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচে নেই কোনো চট্টগ্রামের ক্রিকেটার। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বর্তমানে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে লড়ছে স্বাগতিক বাংলাদেশ ও সফরকারী জিম্বাবুয়ে।

কঠিন"-ছিল-প্রথম-দশ-ওভার
তামিম ইকবাল না থাকায় এবার চট্টগ্রামের কোনো ছেলে ছাড়াই বাংলাদেশকে খেলতে দেখছেন সাগরিকার দর্শকরা। ছবি: সংগৃহীত

বুধবারের (২৪ অক্টোবর) এই ম্যাচে একাদশে নেই কোনো চট্টগ্রামের ক্রিকেটার। এর আগে ২০০২ সালে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল এমন চিত্র; যখন চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত ম্যাচেও বাংলাদেশ একাদশে ছিলেন না চট্টগ্রামের কোনো ক্রিকেটার।

২০০২ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে হোম সিরিজের দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে। সেবার বাংলাদেশ দলের একাদশে ছিলেন না চট্টগ্রাম অঞ্চলের কোনো ক্রিকেটারই। এরপর সেই ‘খরা’ দূর করেছিলেন আফতাব আহমেদ, আর আফতাবের পর তামিম ইকবাল। তার মাঝখানে তামিমের বড় ভাই নাফিস ইকবালও চট্টগ্রামের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন জাতীয় দলকে। এবার তাই ১৬ বছর পর চট্টগ্রামের দর্শকরা জাতীয় দলের খেলা দেখছেন নিজেদের কোনো খেলোয়াড়কে মাঠে নামতে না দেখেই।

সাগরিকায় দর্শকদের এই ‘খরা’ ‘পোহানোর’ কারণ তামিম ইকবালের ইনজুরি। জাতীয় দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই ক্রিকেটার চোটের কারণে নেই এবারের সিরিজের স্কোয়াডে। শুধু তামিমই নন, স্কোয়াডে নেই পুরো চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে উঠে আসা কেউ। ফলে কোনো চট্টগ্রামের ছেলেকে মাঠ মাতাতে দেখা হচ্ছে না জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আসা চাটগাঁইয়া দর্শকদের। আর এই চট্টগ্রামের ‘অভিজাত মাটি’ এমন ঘটনার সাক্ষী হল দীর্ঘ ১৬ বছর পর!

Also Read - 'অধিনায়ক' মাশরাফির আরও এক রেকর্ড


প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক খেলোয়াড় ছিলেন চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকেই। সেই একাদশে সাতজন খেলোয়াড়ই ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের ক্রিকেটার।

উল্লেখ্য, তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে ব্যাট করছে জিম্বাবুয়ে। এর আগে প্রথম ম্যাচে ২৮ রানের জয় তুলে নিয়ে সিরিজ জয়ের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল।

আরও পড়ুন: জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ বাংলাদেশের

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন