ঘরোয়া লিগেও সন্দেহের তালিকায় আরাফাত সানি!

প্রিমিয়ার লিগে অবৈধ বোলিং অ্যাকশন চিহ্নিত করার জন্য অ্যাকশন রিভিউ কমিটি গঠন করেছিল বিসিবি। প্রিমিয়ার লিগ শেষে ১১ জনের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে এই রিভিউ কমিটি। যেখানে ১ জন ছাড়া বাকি সবাই স্পিনার। অন্যদিকে এই তালিকায় শুরুর দিকেই আছেন আরাফাত সানি!

টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে বোলিং অ্যাকশন সন্দেহজনক হবার কারণে টুর্ণামেন্টের মাঝ পথেই দেশে ফেরত আসতে হয়েছিল আরাফাত সানিকে। তাই, প্রিমিয়ার লিগটা ছিল আরাফাত সানির আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফেরার লড়াই। বোলিং অ্যাকশনের ত্রুটি মুক্ত করার জন্য প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের প্রথম কয়েকটি ম্যাচে মাঠে নামেননি আরাফাত সানি। একদম শুদ্ধ অ্যাকশন নিয়েই মাঠে নামতে চেয়েছিলেন তিনি। এরপরও ফিরে এসে থেকে গেলেন সন্দেহের তালিকায়।

file

Also Read - বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার সিরিজের সময়সূচি চূড়ান্ত


মঙ্গলবার বোলিং অ্যাকশন রিভিউ কমিটির প্রধান জালাল ইউনুস সন্দেহজনক ১১ ক্রিকেটারের নাম প্রকাশ করেন। সেই তালিকায় আছে এই স্পিনারের নাম। আরাফাত সানি জাতীয় দলের খেলোয়াড় হওয়ায় ঘরোয়া ক্রিকেটারদের তালিকা থেকে আলাদা করে দেওয়া হয়েছে তাকে। এ প্রসঙ্গে জালাল ইউনুস বলেন, ‘১১ জনের একজন আরাফাত সানি ছিলো। যেহেতু সে জাতীয় দলের খেলোয়াড়। সে ইতিমধ্যে কাজ করছে। এজন্য আমরা তাকে বাদ দিয়েছি।’

আগামী ২০ জুলাই থেকে সন্দেহজনক এইসব বোলারদের নিয়ে কাজ শুরু করবে বিসিবির রিভিউ কমিটি।

বোলিং অ্যাকশনে সন্দেহজনক ১১ জনের তালিকাঃ

আরাফাত সানি (শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব),

মুস্তাফিজুর রহমান (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স),

মইনুল ইসলাম (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স),

অমিত কুমার নয়ন (আবাহনী লিমিটেড),

রেজাউল করিম (প্রাইম দোলেশ্বর),

মোহাম্মদ শরিফুল্লাহ (কলাবাগান ক্রীড়া চক্র),

আসিফ আহমেদ রাতুল (লিজেন্ডস অব রুপগঞ্জ),

নাইম ইসলাম জুনিয়র (মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব),

ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স (মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব),

সঞ্জিত সাহা (ব্রাদার্স ইউনিয়ন),

মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন (সিসিএস)।