Score

চমকে গেছেন তাঁরা দুজনও

এশিয়া কাপের মাঝপথে ইমরুল কায়েস ও সৌম্য সরকারের দলে অন্তর্ভুক্তি সবার কাছেই এসেছে চমক হয়ে। এমন বড় আসরগুলোতে দল সাধারণত ঠিক করা হয় আসর শুরুর আগেই। আসরের মাঝপথে এসে হুট করে দুজন খেলোয়াড় উড়িয়ে আনার রেকর্ড খুব কমই আছে। দলের ওপেনারদের দৈন্যদশা দেখে বোর্ড রীতিমত বাধ্য হয়েই দলভুক্ত করেছে আরও দুই ওপেনারকে। তাতে অন্য সবার মত চমকে গেছেন খোদ ডাক পাওয়া ইমরুল ও সৌম্যও।

খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে ইমরুল ও সৌম্য ব্যস্ত ছিলেন বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির আয়োজনে মাঠে গড়ানো চারদিনের এক প্রস্তুতি ম্যাচে। সেই ম্যাচের শুরুতে ভালো এক ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন ইমরুল। হুট করে আশা ডাককে তার পুরস্কার হিসেবেও যেন নিতে পারছেন না অভিজ্ঞ ওপেনার। আর তাই প্রকাশ করেছেন এ নিয়ে তার বিস্ময়।

ইমরুল বলেন, ‘আসলেই অবাক হওয়ার মতো ব্যাপারসবাই জানেন আমরা খুলনায় চারদিনের ম্যাচ খেলছিলামএই টুর্নামেন্টে এভাবে ডাক পাব, চিন্তা করিনি কখনই।’

Also Read - কায়েস-সৌম্যের অন্তর্ভূক্তি প্রসঙ্গে সাকিবের ভাষ্য

এশিয়া কাপের মত বড় আসরে খেলার সুযোগ পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছেন ইমরুল। সেই সাথে শুনিয়েছেন ভালো করার প্রত্যয়, ‘এমন একটা টুর্নামেন্টে খেলতে পারছি, নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছিযদি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাই, চেষ্টা করব নিজের সেরাটা দিয়ে ভালো করতে।’

আসর শুরুর প্রায় এক সপ্তাহ আগে গিয়েও দল এখনও পরিস্থিতি-পরিবেশের সাথে পুরোপুরি খাপ খাওয়াতে পারেনি। সৌম্যদের তাই দ্রুত মানিয়ে নেওয়াটা অপ্রত্যাশিত ব্যাপারই। সবকিছু মিলিয়ে সৌম্যর চোখে পুরো ব্যাপারটি চ্যালেঞ্জিং, ‘চ্যালেঞ্জিং তো সবসময়ইযেহেতু নতুন একটা ওয়েদারে যাচ্ছি আবার সফরের ঠিক মাঝামাঝি অবস্থায়, সুতরাং যত দ্রুত পারা যায়, মানিয়ে নিতে হবে।’

আর এক্ষেত্রে তার চিন্তাভাবনা বেশ ইতিবাচক। সৌম্য বলেন, আর কোনো উপায়ও নেই, মানিয়ে নেওয়া ছাড়ানিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত রাখতে হবে, ধরে নিতে হবে সব ঠিক আছে।’

আরও পড়ুন: তামিমকে হারিয়ে যেন পথ হারিয়েছে বাংলাদেশ!

Related Articles

মেডিকেল রিপোর্টের উপরেই নির্ভর করছে সাকিবের এনওসি

এই মিরাজ অনেক আত্মবিশ্বাসী

মিঠুনের ‘মূল চরিত্রে’ আসার তাড়না

‘আঙুলটা আর কখনো পুরোপুরি ঠিক হবে না’

এক নয় মাশরাফির তিন ইনজুরি