SCORE

সর্বশেষ

চারদিন টানা কেঁদেছিলেন স্মিথ!

অস্ট্রেলিয়ার সর্বশেষ দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে কেপটাউনে, তৃতীয় টেস্টে বল টেম্পারিং কাণ্ডে জড়িত ছিলেন স্টিভ স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নার ও ক্যামেরন ব্যানক্রফট। বল টেম্পারিংয়ের দায়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) থেকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয় স্মিথ ও ওয়ার্নারকে এবং নয় মাসের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় ব্যানক্রফটকে।

চারদিন কেঁদেছিলেন স্মিথ!
সিডনির এক স্কুলে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্মিথ। ছবিঃ সিডনি মর্নিং

বল টেম্পারিং কাণ্ডের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে স্মিথ, ওয়ার্নারকে ঘিরে শুরু হয় নানান সমালোচনা-আলোচনা। অধিনায়কের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় এই দুই ক্রিকেটারকে। কেপটাউন টেস্ট শেষে দেশে ফেরত পাঠানো হয় স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফটকে। দেশে ফিরেই মিডিয়ার মুখোমুখি হন এই তিন ক্রিকেটার। সেখানে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিন ক্রিকেটারই।

বল টেম্পারিংয়ের মত জঘন্য কাজে লিপ্ত হয়ে দেশের ক্রিকেটের মান ক্ষুণ্ণ করাতে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চান তিনজনেই। ওই ঘটনার পর পাবলিক প্লেস কিংবা মিডিয়ার সামনে খুব কমই এসেছেন স্মিথ, ওয়ার্নাররা। নিজেদের এই দুঃসময়ে সময় কাটিয়েছেন নিজের পরিবার ও কাছের বন্ধুদের সঙ্গে।

Also Read - মতামত: কবে শিখবো টি-টোয়েন্টি?

রবিবার সিডনির নক্স গ্রামার স্কুলে আসেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ। ওই স্কুলে মানসিক স্বাস্থ্যর ব্যাপারে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের সচেতনের জন্য একটি প্রোগ্রামের আয়োজন করে স্কুলটি। ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি হিসেবে যান স্মিথ। কথা বলেন দক্ষিণ আফ্রিকায় ঘটে যাওয়া তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে সময় নিয়ে। কিভাবে সেই বাজে সময়টা পার করেছেন সেটি নিয়েও আলোচনা করেন স্মিথ।

‘সত্যি বলতে, আমি চারদিন কেঁদেছিলাম। ওই ঘটনার পর মানসিকভাবে অনেক ভেঙে পড়েছিলাম। আমি খুবই ভাগ্যবান যে আমার দুঃসময়ে কাছের বন্ধুবান্ধব ও আমার পরিবারের সমর্থন পেয়েছি। ওই সময়টায় যারা আমাকে সমর্থন করেছেন তাদের জন্য অনেক চাপ থেকে মুক্ত হতে পেরেছি। তাদের সমর্থন ও ভালোবাসার কারণে এই পর্যায়ে আসতে পেরেছি।’

এইদিকে ওই ঘটনার কারণে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাদের সব ধরণের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করলেও খুব শীঘ্রই মাঠে ফিরছেন স্মিথ। কানাডার গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগে দল পেয়েছেন স্মিথ ওয়ার্নার দুইজনেই। এই টুর্নামেন্টের অংশ হতে পেরে দারুণ খুশি স্মিথ। সিডনি মর্নিংয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তিনি টুর্নামেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে আশা করছেন।

‘কানাডার গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগের অংশ হতে পেরে খুবই আনন্দিত আমি। এই ধরণের প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক টুর্নামেন্টে আমাকে নেওয়ার জন্য উইনিপেগ হকসকে ধন্যবাদ জানাই। খুব শীঘ্রই অনুশীলনে ফিরবো।’

বল টেম্পারিংয়ের পর বাদ পড়েছেন জাতীয় দলের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে। শুধু তাই নয়, আর্থিক দিক দিয়ে ক্ষতি হয়েছে ২ মিলিয়ন ডলার। আগামী বছরের মার্চের ২৯ তারিখ পর্যন্ত থাকবে এই নিষেধাজ্ঞা।

আরও পড়ুনঃ রশিদের সাফল্যর রহস্য কী?

Related Articles

আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল আফগানরা

কোহলির ব্যাটে রেকর্ড-বুকে বয়ে গেল ঝড়!

চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন বেয়ারস্টো

অভিষেক টেস্টেই রেকর্ডের পাতায় পান্ত

ভারতের নিয়ন্ত্রণে ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্ট