চার হাজার স্পর্শ করলেন তামিম

প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে চার হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন বাঁহাতি ওপেনার তামিম ইকবাল। বৃহস্পতিবার অ্যান্টিগায় চার মেরে চার হাজারি ক্লাবের সদস্য হয়েছেন তিনি।tamim

দ্বিতীয় ইনিংসে ১১ রান দূরে ছিলেন তামিম। গ্যাব্রিয়েলের বলে চার মেরে চার হাজার পূর্ণ করেন তিনি। এরপরের বলেই শ্যানন গ্যাব্রিয়েলের বলে আউট হয়ে যান তিনি। করেন ১৩ রান।

Advertisment

৫৫ ম্যাচে ১০৬ ইনিংস ব্যাটিং করে ৪০০২ রান করলেন তামিম ইকবাল। এর মধ্যে ২৪৭৬ রান করেছেন দেশের মাটিতে। বাকি ১৫২৬ রান করেছেন দেশের বাইরে।  চার হাজারের পথে শতক হাঁকিয়েছেন ৮ টি। অর্ধশতক রয়েছে ২৫ টি। ব্যাটিং গড় ৩৮.১১। ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ২০৬ বাংলাদেশের টেস্টে এক ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইনিংস।

টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম। তার পেছনে রয়েছেন মুশফিকুর রহিম ও সাকিব আল হাসান। ৬১ টেস্টে ১১৪ ইনিংসে মুশফিকের রান ৩৬৪৪। ৫২ টেস্টে ৯৮ ইনিংসে সাকিব আল হাসানের সংগ্রহ ৩৬০৬।

অ্যান্টিগা টেস্টে প্রথম ইনিংসেই তামিমের সামনে ছিল ৪০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শের হাতছানি। মাত্র ১৫ রান দূরে ছিলেন তিনি। কিন্তু ৪ রান করে বিদায় নেন প্রথম ইনিংসে। দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ তামিম। বাংলাদেশের ব্যাটিংয়েরও বেহাল দশা। প্রথম ইনিংসে নিজেদের সর্বনিম্ন স্কোর ৪৩ রান করে অলআউট হওয়ার পর উইন্ডিজরা ৪০৬ রান করে। বিশাল লিডের চাপ নিয়ে খেলতে নেমে আবারো আসা-যাওয়ার মিছিলে নামে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। দ্বিতীয় দিনশেষে ৬২ রান তুলতেই সাকিবরা হারিয়েছে ছয় উইকেট।


আরো পড়ুনঃ বাংলাদেশের সামনে ইনিংস পরাজয়

অ্যান্টিগায় ২ উইকেটে ২০১ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে স্বাগতিকরা। সেখান থেকে তাদের ৪০৬ রানে অলআউট করে দেন বোলাররা। কিন্তু প্রথম ইনিংসের চরম ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণে বোলারদের কাজটার কোনো প্রভাবই পড়েনি ম্যাচে। ৩৬৩ রানের এক বিশাল লিড নেয় স্বাগতিকরা।

দ্বিতীয় দিন দলকে প্রথম উইকেট এনে দেন পেসার কামরুল ইসলাম রাব্বি। নাইট ওয়াচম্যান হিসেবে নামা দেবেন্দ্র বিশু পরিচয় দেন দারুণ দৃঢ়তার। ৭৯ বল ক্রিজে টিকেছিলেন তিনি। রাব্বির বলে বোল্ড হন তিনি। দারুণ ডেলিভারিতে উড়িয়ে দিয়েছিলেন অফ স্টাম্প। প্রথম সেশনে এটিই ছিল বাংলাদেশের একমাত্র সাফল্য…