Scores

ছাত্রজীবনে মুশফিকরা ছিলেন ‘ব্রেইনলেস’!

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) আজ বসেছিল তারার মেলা। উপস্থিত হয়েছিলেন মুশফিকুর রহিমসহ ২০০০ সালের ব্যাচের প্রায় প্রতিটি ছাত্রছাত্রী। দিনব্যাপী পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রিয় শিক্ষার্থীদেরকে কাছে পেয়ে অনেকটা আবেগপ্লুত হয়ে পড়লেন শিক্ষকরা। জানালেন মজার মজার সব স্মৃতি।

বিকেএসপিতে মুশফিক, শুভদের আনন্দঘন একদিন

২০০০ সালে ক্লাস সেভেনে পাওয়া সুযোগের পর বিকেএসপি অধ্যায় শুরু হয় মুশফিকের। এরপর আর পিছে ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০০৬ সালের শেষদিকে সুযোগ মেলে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলে। তবে তার আগেই বন্ধু মহলে ‘নেতা’ হিসেবে বেশ সুখ্যাতি কুড়িয়েছেন মুশফিক। বিকেএসপিতে ছাত্র জীবনে খেলাধুলার পাশাপাশি পড়াশোনাতেও বেশ পটু ছিলেন তিনি।

Also Read - কোয়ারেন্টাইনে লকি ফার্গুসন


শুধু মুশফিক নয়, বিকেএসপির ২০০০ সালের অনেকেই এখন নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। ক্রিকেটে মুশফিকের পাশাপাশি সুনাম এনে দিয়েছেন সোহরাওয়ার্দী শুভ, শামসুর রহমান শুভ, মেহেদী মারুফরা। হকিতে মামুনুর রহমান চয়ন, শুটিংয়ে আব্দুল্লাহ হেল বাকি ও শারমিন আক্তাররা।

এতো এতো প্রতিভা থাকার পরেও ছাত্রজীবনে ‘ব্রেইনলেস’ হিসেবে ডাকা হতো তাদের। যে উপাধি দিয়েছিলেন প্রতিষ্ঠানটির বাংলার শিক্ষক শামীম স্যার। আজ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের এক ফাঁকে মজার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে শামিম বলেন, “আমাদের এসব শিক্ষার্থীরা যখন ছোট ছিল তো সেসময় বিভিন্নরকম নাবালকসূলভ কাজ করতো। যেকারণে আমি আদর করে বলতাম ‘ব্রেইনলেস’।”

“গত বিপিএলের সময় আমি গিয়েছিলাম মুশফিকের হোটেলে। তো লিফটে আমি উঠছি, সে কানেকানে বলে স্যার এখন তো কেউ নাই, কথাটা বলেন। তো আমি বললাম ব্রেইনলেস। সে বলে স্যার মাথায় হাত দিয়ে বলেন। পরে মাথায় হাত দিয়ে আস্তে করে বললাম ব্রেইনলেস। সে হাসছে। একই সাথে বললাম, ‘শেইমলেস’ (হাসি)।” সাথে যোগ করেন তিনি।

তবে মুশফিকদের ব্যাচকে ব্রেইনলেস উপাধি দেওয়ার পর এখন আর এমন উপাধি অন্যকোনো ব্যাচকে দেননা শামীম স্যার। নিজের ছাত্রদের নিয়ে বেশ গর্ববোধই করেন তিনি, “পরবর্তী প্রজন্মকে আমি আর এ কথাটা বলি না। আমার ছাত্ররা এতো অসাধারণ যে, মুশফিকুর রহিম লেখাপড়া করতে করতে এ প্লাস পেয়ে গেল। তখন আমি ওদের ব্রেইনলেস বকাটা বাদ দিলাম।”

এই ব্যাচের প্রতিনিধি হিসেবে কথা বলেন এসে কম গেলেননা মুশফিকও। শিক্ষকদের অবদান স্মরণ করে তিনি বলেন, “হারুন স্যারের সেই চিমটি। নাজমুল স্যারের বেতের বাড়ি, এ রকম আরও অনেক স্যার-ম্যাডাম রয়েছেন, যাদের এই ভালোবাসাগুলো না পেলে, এই অভিভাকত্ব না পেলে হয়তো আমরা এই জায়গায় পৌঁছাতাম না। যতটুকু আসতে পেরেছি সেটা হয়তো সম্ভব হতো না। খুব কম মানুষ আছে এখানে মতি স্যারের থাপ্পড় খায় নাই। এই থাপ্পড়ের জন্য এখন পর্যন্ত মানুষ হতে পেরেছি।”

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

ওপেনিংয়ে তামিমের সঙ্গী হতে না পারার আক্ষেপ নাফিসের

রোহিতের স্ত্রীর সাথে নাফিসের বন্ধুত্ব হয়েছিল যেভাবে

তামিমের শটে হাড় ভাঙলেও নিজেকেই দুষছেন নাফিস

আইপিএলে আমি প্রচুর সম্মান পেয়েছি : নাফিস

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে আকাশচুম্বী মূল্যায়ন পেতেন মুস্তাফিজ