Scores

জাতীয় দলের চিন্তা ছেড়েই দিয়েছিলেন রাজ্জাক

২০১৪ সালের আগস্টে শেষবারের মতো গায়ে জড়িয়েছিলেন জাতীয় দলের জার্সি। এরপর যে বাদ পড়লেন, আর ফেরা হচ্ছিল না দলে। ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো পারফরমেন্স করলেও ছিলেন উপেক্ষিত। একটা সময় জাতীয় দলে খেলার আশাই ছেড়ে দিয়েছিলেন আব্দুর রাজ্জাক।

রাজ্জাকের এক উইকেটের আক্ষেপ

রোববার আব্দুর রাজ্জাককে ফোন করে চট্টগ্রাম টেস্টের প্রস্তুতি হিসেবে দলের সাথে যোগ দিতে বলেন নির্বাচকরা। হুট করে ডাক পেয়ে যেন বিশ্বাসই হচ্ছিল না রাজ্জাকের।

Also Read - মাশরাফিকে জরিমানা


অনলাইন সংবাদমাধ্যম জাগোনিউজকে রাজ্জাক বলেন, ‘জাতীয় দলে আবার খেলার চিন্তা ছেড়েই দিয়েছিলাম। বাংলাদেশ দলে খেলাটা আমার কাছে চিন্তার বাইরের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সত্যি কথা বলতে, জাতীয় দলে খেলার চিন্তা ছেড়েই দিয়েছিলাম।’

৩৫ বছর বয়সে এখনও রাজ্জাক ধরে রেখেছেন ফিটনেস। আর এই কারণে ঘরোয়া ক্রিকেটেও তার পারফরমেন্সে রয়েছে ধারাবাহিকতা। ফিটনেস সম্পর্কে জানতে চাইলে রাজ্জাক বলেন, ‘আমার বোধ-বুদ্ধি আছে। আত্মমর্যাদাও আছে। আমার বিশ্বাস ও আস্থা, ফিটনেস এখনো ঠিক আছে। ফিটনেস না থাকলে আমি কি আর ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত খেলতে পারি?’

ফিটনেস লেভেল কমে গেলে খেলাই ছেড়ে দিবেন জানিয়ে রাজ্জাক বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমি যখন বুঝবো ফিটনেস লেভেল কমে গেছে, আমি আর খেলার অবস্থায় নেই- তখন আর খেলবো না।’

ফর্ম পড়তির দিকে গেলে নিজ থেকেই ক্রিকেট ছেড়ে দেওয়ার ইচ্ছা রাজ্জাকের। সাথে এও জানালেন, খেলার সুযোগ পেলে নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টাটুকু করবেন তিনি, ‘আমি হাসির পাত্র হতে চাই না। যখন বুঝবো আমি ফুরিয়ে গেছি, তখন আপনা-আপনি সরে দাঁড়াবো। আমি আশাবাদী। যদি সুযোগ পাই, তাহলে সামর্থ্যের শেষ বিন্দু দিয়ে চেষ্টা করবো।’

অভিজ্ঞ এই বাঁহাতি স্পিনার বাংলাদেশ জাতীয় দলের জার্সি গায়ে খেলেছেন ১২টি টেস্ট। যদিও টেস্টের চেয়ে ওয়ানডেতেই তিনি পেয়েছেন বেশি সাফল্য। সম্প্রতি দেশের প্রথম এবং একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৫০০ উইকেট শিকারের কীর্তি অর্জন করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ নতুন দল হায়দরাবাদে সাকিবের সতীর্থ যারা

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন


Related Articles

বিশ্বকাপে থাকছেন রাজ্জাক!

বিশ্বকাপের সেরা ৫ টাইগার বোলার

রাজ্জাককে ছাড়িয়ে শীর্ষে মাশরাফি

“শুধু আমাদের দেশেই এভাবে ভাবা হয়”

অবসর না নেওয়া ‘সাবেক’দের নতুন পদক্ষেপ