Scores

জাতীয় দলের জায়গা কারো জন্যই স্থায়ী না : রাজ্জাক

বাংলাদেশ জাতীয় দলের নতুন নির্বাচক আব্দুর রাজ্জাক নতুন এই দায়িত্ব তার চিন্তাভাবনা নিয়ে বিডিক্রিকটাইমের সাথে আলাপ করেছেন। সেখানে তিনি জানান, নিজের সৎভাবে কাজ করার প্রতিজ্ঞার কথা।

জাতীয় দলের জায়গাটি কারো জন্যই স্থায়ী না  রাজ্জাক
আব্দুর রাজ্জাক

ক্রিকেটের ভক্ত-সমর্থকরা তো বটেই অনেক সময় কিছু খেলোয়াড়ও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বলেন যে তাদেরকে পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না, কিন্তু অন্য কোনো খেলোয়াড়কে বেশি সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। তবে নির্বাচক রাজ্জাক খোলসা করেছেন খেলোয়াড়দের এই ধারণা ভুল। নিজের পক্ষ থেকে রাজ্জাক ব্যাখ্যা করেন,

‘জাতীয় দলের জায়গা কারো জন্যই স্থায়ী না। কিছু খেলোয়াড় হয়তো মনে করতে পারে যে আমাকে কম সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, আরেকজনকে বেশি সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আমি যেটা দেখি, এই খেলোয়াড়কে দিয়ে কতদিন সেবা পাওয়া সম্ভাবনা আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কাউকে দলে নেওয়ার জন্য আমি কথা বলছি কিংবা কাউকে বাদ দেওয়ার জন্য বলছি তখন আমার খারাপ লাগে না। কারণ এই জায়গাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। হয়তো ভুল হতে পারে কিন্তু সৎভাবে করলে খারাপ লাগবে না। এটাই নিয়ম। প্রতিটা খেলোয়াড়ই জানে যে জাতীয় দলের জায়গাটি কারো জন্যই স্থায়ী না। যে ভালো খেলছে থাকবে। দেখা যাবে আরেকজন তার চেয়ে ভালো পারফর্ম করছে, সে এসে তার জায়গাটি নিয়ে নিবে- এটাই স্বাভাবিক।’

রাজ্জাক জানান, নিজের কাজের প্রতি তিনি সময়ই সৎ থাকার চেষ্টা করেন। তবে তার সিদ্ধান্তও যে ভুল হতে পারে এটিও অকপটে স্বীকার করেছেন। আর সেইজন্যই তিনি সবকিছু বিচার-বিবেচনা করে কাজ করেন যেন কোনো সমস্যা হলে তার সঠিক ব্যাখাও দিতে পারেন। রাজ্জাকের ভাষায়,

‘যারা এগুলো বুঝবে, তাদের ক্ষেত্রে রাগারাগির ব্যাপার আসবে না। রাগারাগির ব্যাপার আসা উচিতও না। আমি আগে চিন্তা করি, কার কাছে কতদিন সেবা পাওয়া যাবে। ক্রিকেট বোর্ড আমাকে এই দায়িত্ব দিয়েছে, আমি আশা করি খেলোয়াড়রাও আমার চিন্তার দাম দিবে। এখানে দুইটা জিনিস থাকে, দেশের প্রতিনিধিত্ব করা ও খেলোয়াড়ের ক্যারিয়ারের ব্যাপার। আমি চেষ্টা করি সবসময় সৎভাবে কাজ করার যেন কোনো সমস্যা হলে সঠিক ব্যাখ্যা করতে পারি।’

কয়েক মাস আগেও রাজ্জাকের পরিচয় ছিল ক্রিকেটার। ক্যারিয়ারের শেষ কয়েক বছর জাতীয় দলে ব্রাত্য ছিলেন ওয়ানডেতে ২০০ এর অধিক উইকেট শিকার করা এই বাঁহাতি স্পিনার। তখনও জাতীয় দলে সুযোগ না মিললে যুক্তি দিয়েই বিবেচনা করতেন।

তিনি বলেন, ‘যখন খেলোয়াড় ছিলাম, আমার ব্যক্তিগতভাবে রাগ হতো না। কারণ কোনো না কোনোভাবে হচ্ছে না বুঝতাম যখন আমি বাদ পড়েছি। আমি এটা মনে করতাম যে আমি যেটা ভাবছি সেটা সঠিক নাও হতে পারে। হতে পারে অন্য কারণ আছে যেটা আমি বুঝতে পারছি না, যেটা আমার ঘাটতি আছে।’

Related Articles

তুষার-রাজ্জাককে বাদ দিতেই ফিটনেস টেস্টের বাধ্যবাধকতা!

জিম্বাবুয়েতে সাফল্য পাওয়ার টোটকা দিলেন রাজ্জাক

জিম্বাবুয়েতে রাজ্জাকের সার্ভিসও পাবেন সাকিব-মিরাজরা

জাতীয় দলের দরজা সবার জন্য খোলা : রাজ্জাক

উইকেট নয়, রাজ্জাকের কাঠগড়ায় আবহাওয়া