Scores

জাতীয় দলে খেলার লোভ সামলাতে পারেননি গেইল

জাতীয় দলে খেলা যেকোনো ক্রিকেটারের জন্যই গর্বের। তবে ক্রিকেট অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর অনেকেই জাতীয় দলে খেলতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন, বিশেষ করে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে মজে গেলে। সেই পথে হেঁটে অনেকেই হয়েছেন সমালোচিত।

জাতীয় দলের লোভ সামলাতে পারেননি গেইল

একসময় ক্রিস গেইলকেও অপবাদ দেওয়া হত- তার কাছে নিজ জাতীয় দলের চেয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটই বেশি গুরুত্ব পায়। তবে সেই গেইলই ৪১ বছর বয়সে ফিরেছেন ক্যারিবীয় টি-টোয়েন্টি দলে। যিনি জাতীয় দলের খেলাই ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন, তার মাথায় জাতীয় দলে ফেরার আগে কোন ভাবনা খেলছিল?

Also Read - প্রথম ক্রিকেটার ও ভারতীয় হিসেবে কোহলির অন্যরকম '১০০'


গেইল বলেন, ‘আসলে আমি ক্রিকেটটা ছেড়ে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ভক্তরা বললেন- না, ক্রিকেট ছেড়ো না, যতদিন সম্ভব খেলে যাও। সেজন্য খেলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। কিন্তু জাতীয় দল নিয়ে সত্যিই ভাবিনি। ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-২০ লিগ খেলবো, ভক্তদের আনন্দ দেবো, যেটুকু দেখানোর দেখিয়ে যাব- এটাই ছিল পরিকল্পনা।’

সেই গেইলই ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে খেলার প্রস্তাব পেয়ে সানন্দে সাথে সাথে ‘হ্যাঁ’ বলে দেন। গেইলের ভাষায়, ‘আমাকে যখন জিজ্ঞেস করা হল- জাতীয় দলের হয়ে খেলবো কিনা; আমি বললাম- হ্যাঁ, আমি খেলতে চাই। ওখানে আমার মন পড়ে আছে। এই বয়সে, এই পর্যায়ে এসেও আমি ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডাকে সাড়া না দিয়ে পারি না।’

এই বয়সে এসে আগের মত পারফর্ম করা চাট্টিখানি কথা নয়। তবে গেইলের মনের বয়স যে এখনো ‘বুড়ো’ হওয়ার মত বাড়েনি, তা পরিস্কার করলেন নিজেই, ‘এখন মানসিকের চেয়ে শারীরিক চ্যালেঞ্জটাই বেশি। তবে আমি খেলে যাচ্ছি মনের জোরে। মন এখনো খেলতে চায়, বল মেরে মাঠের বাইরে পাঠাতে চায়। ব্যাটিং করে এখনও মজা পাই। সেজন্য আমি খেলে যাচ্ছি।’

শ্রীলঙ্কা সিরিজকে সামনে রেখে গেইল আরও জানান, ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয় তার লক্ষ্য।

Related Articles

কোচ-অধিনায়কের ‘প্রিয়পাত্র’ হলেই সুযোগ মেলে পাকিস্তান দলে!

আইসিসির মাসসেরার মনোনয়ন পেয়ে আলোচনায় নেপালের কুশল

বাংলাদেশকে হারানোর পুরস্কার পেলেন মেয়ার্স-বোনাররা

মাতৃত্ব ও পিতৃত্বকালীন ছুটিতে পিসিবির প্রশংসনীয় উদ্যোগ

জাতীয় দল নয়, লিগ খেলাকেই প্রাধান্য দিবেন হোল্ডার