Scores

জিতেছিলেন বিশ্বকাপ, এখন বেচেন সবজি

দেশকে তিনি জিতিয়েছিলেন বিশ্বকাপ, অথচ এখন সবজি বিক্রি করে পরিবারের ভরণপোষণ করছেন। করুণ এই ঘটনা ভারতের হয়ে ব্লাইন্ড বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য নরেশ টুন্ডার। করোনার কারণে আর্থিক অনটনে পড়া এই ক্রিকেটারের ঘটনা হইচই ফেলেছে ক্রিকেট অঙ্গনে।

জিতেছিলেন বিশ্বকাপ, এখন বেচেন সবজি

আহমেদাবাদের ছেলে নরেশ ভারত ব্লাইন্ড ক্রিকেট দলের হয়ে খেলেন। ২০১৮ সালে পাকিস্তানে বিশ্বকাপ জিতেছিল তাদের দল। নরেশ মনে করেন, সরকারের অবহেলার কারণেই তাদের এই দশা। সমাজে সাধারণ মানুষের মত প্রতিবন্ধীদের দেখা হয় না বলেও অনুযোগ তার।

Also Read - শ্রীলঙ্কায় কাজের পরিধি বাড়ছে ভেট্টোরির





করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব শুরুর আগে ভালোই চলছিল নরেশের জীবন। তবে মহামারীর করাল ছায়া তাকে প্রায় নিঃস্ব করে দিয়েছে। লকডাউনের কারণে খেলাধুলা বন্ধ। আর্থিক কোনো অনুদানও পাননি। পাঁচ সদস্যের পরিবার নিয়ে পড়েছেন নিদারুণ ভোগান্তিতে।

বাধ্য হয়ে নেমেছেন সবজি ব্যবসায়। আহমেদাবাদের জামাল্পুর বাজারে সবজি নিয়ে বসেন নরেশ, খোঁজে বেড়ান ক্রেতা। নরেশ বলেন, অন্ধ বলে সরকার তাদের চাকরির ব্যবস্থাও করছে না। অথচ স্বাভাবিক ক্রিকেটাররা কাড়ি কাড়ি টাকা উপার্জন করেন শুধু ক্রিকেট খেলেই।






জিতেছিলেন বিশ্বকাপ, এখন বেচেন সবজি 3২৯ বছর বয়সী অন্ধ ক্রিকেটার নরেশের ভাষ্য, ‘ভারত জাতীয় দল যখন বিশ্বকাপ জেতে তখন সরকার ও ক্রিকেট সংস্থা তাদের ওপর টাকার বৃষ্টি ঢালে। আমরা অন্ধ, তবে আমরাও ক্রিকেট খেলি। সমাজের উচিৎ আমাদেরও একইভাবে দেখা।’

শুধু নরেশই নন। এমন করুণ দশা ভারতের বিশ্বকাপজয়ী দলটির আরও অনেক সদস্যের। কোরিওগ্রাফার জয়েশ নায়ক নাচ শেখাতেন। করোনার জেরে পথে বসার জোগাড় তার। বাধ্য হয়ে তিনিও সবজি বিক্রি করছেন।

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

 

Related Articles

রেকর্ড গড়া হাফিজের হাড়কিপটে বোলিংয়ে জিতল পাকিস্তান

কোহলি-রোহিতদের কোচ হওয়ার ভাবনা নেই দ্রাবিড়ের

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেন উদানা

১ লাখ মার্কিন ডলার পুরস্কার পেলেন শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটাররা

মাথায় আঘাত পেয়ে ছিটকে গেলেন আজম খান