Scores

জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের সাবেক পরিচালক নিষিদ্ধ

টেস্ট খেলুড়ে দেশ জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট পরিচালনা সংস্থা জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের (জেডসি) সাবেক পরিচালক ইনোক ইকোপকে নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। আইসিসির কোড অব কন্ডাক্টের তিনটি ধারা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে কোনো ধরনের ক্রিকেটীয় কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকতে পারবেন না তিনি।

জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে ২০১৮ সালে তদন্ত করা শুরু করে আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগ আকসু। সেই তদন্ত কার্যক্রমে আকসু কর্মকর্তাদের সহায়তা করেননি বলে অভিযোগ রয়েছে ইকোপের বিরুদ্ধে। আকসুর কর্তারা তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন দেখতে চাইলে তিনি তা দেখতে দেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।

আইসিসি জানিয়েছে, দেশটির জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক গ্রায়েম ক্রেমারকে ম্যাচ গড়াপেটার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইকোপ। ঐ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় মূল হোতা রাজন নায়ারকে গত বছরই ২০ বছরের নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে আইসিসি। এবার শাস্তি পেতে হয়েছে ইকোপকেও।

Also Read - গনহত্যার দেশে স্বপ্নের স্টেডিয়াম, ক্রিকেটের আকস্মিক উত্থান


জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে ২০১৮ সালে তদন্ত করা শুরু করে আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগ আকসু। সেই তদন্ত কার্যক্রমে আকসু কর্মকর্তাদের সহায়তা করেননি বলে অভিযোগ রয়েছে ইকোপের বিরুদ্ধে। আকসুর কর্তারা তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন দেখতে চাইলে তিনি তা দেখতে দেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রসঙ্গত, তথ্য সরবরাহ না করার অপরাধে কদিন আগে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা পান শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তী সাবেক ক্রিকেটার সনাথ জয়াসুরিয়া। ফলে আগামী দুই বছর ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট কোনো কাজে যুক্ত থাকা হবে না তারও।

সাবেক জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট পরিচালক ইকোপের শাস্তি তথা নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন আইসিসির মহাপরিচালক অ্যালেক্স মার্শাল। তিনি মনে করেন, ক্রিকেটের সাথে যুক্ত সবার জন্য এটি একটি বার্তা।

অ্যালেক্স মার্শাল বলেন, ‘আমরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। ইকোপ বড় দোষই করেছিলেন এবং সেটি প্রমাণিতও হয়েছে। আমরা কখনই তদন্ত কাজে অসহযোগিতা ও বাধা প্রদান কামনা করি না। সাম্প্রতিক সময়ের এই নিষেধাজ্ঞা ক্রিকেটের সাথে যুক্ত অন্যদের কাছেও একটি বারতা পৌঁছাবে।’

সাম্প্রতিক সময়ে আইসিসির সদস্য ও সহযোগী সদস্য দেশগুলোর ক্রিকেটে দুর্নীতি নিয়ে বেশ সোচ্চার হয়েছে আইসিসি। সংস্থাটির দুর্নীতি দমন বিভাগ আকসু নিয়মিত এ নিয়ে কাজ করছে যাচ্ছে, ফিক্সিংয়ের মত গর্হিত অপরাধের হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন


Related Articles

ক্ষমা চেয়ে শাস্তি এড়াল শ্রীলঙ্কা

শ্রীলঙ্কার অভিযোগ আমলেই নিল না আইসিসি

চাকরি ছাড়বেন, তবু আইসিসির অন্যায় মেনে নিবেন না!

বিশ্বকাপের জানা-অজানা নিয়মগুলো

রিজার্ভ ডে না থাকার কারণ জানাল আইসিসি