জয়ের লড়াকু ফিফটিতে ‘জয়ের’ পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ

0
778

আইরিশদের ছুড়ে দেওয়া ২৬৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করছে বাংলাদেশ দল। দলকে ভালো শুরু এনে দেওয়ার পর ৩৬ রান করে আউট হয়েছেন অধিনায়ক সাইফ হাসান। এই মুহূর্তে ২৯ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৪৬ রান সংগ্রহ বাংলাদেশের। 

Advertisment

রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন বাংলাদেশ দলের দুই ওপেনার সাইফ হাসান এবং তানজিদ হাসান তামিম। দুই ওপেনার মিলে উদ্বোধনী জুটিতে যোগ করেন ৪৪ রান। আইরিশদের প্রথম উইকেট এনে দেন প্রিটোরিয়াস। ব্যাট হাতে ৯০ রান করার পর বল হাতেও সাফল্যের দেখা পান তিনি। ১৭ রান করা তামিমকে সাজঘরে ফেরান তিনি।

তামিম ফিরলেও মাহমুদুল হাসান জয়কে সঙ্গে নিয়ে দলীয় সংগ্রহ বড় করতে থাকেন সাইফ। একটা সময় বড় ইনিংস খেলবেন মনে করলেও তাকে থামতে হয় ব্যক্তিগত ৩৬ রানে। গেটাকের বলে ৫৩ বলে ৩৬ রানের ইনিংস খেলে আউট হন তিনি। দলীয় ৭৯ রানে সাইফ বিদায় নিলে দলের হাল ধরেন জয় এবং ইয়াসির আলী।

এখন পর্যন্ত ৭৩ বলে ৫১ রান করে ক্রিজে অপরাজিত রয়েছেন মাহমুদুল জয় এবং ৩১ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত রয়েছেন ইয়াসির। এই ম্যাচ জিততে বাংলাদেশের প্রয়োজন আরও ১১৮ রান।

এর আগে চট্টগ্রামে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের অধিনায়ক সাইফ। টস হেরেও শুরুটা দারুণ করেন আয়ারল্যান্ডের দুই ওপেনার জেমস ম্যাককুলাম এবং প্রিটোরিয়াস। প্রথম ওয়ানডে চলাকালীন করোনা পজিটিভ হওয়া প্রিটোরিয়াস এদিন দলকে দারুণ শুরু এনে দেন।

মুকিদুল-সুমনদের বেশ ভালোভাবেই সামাল দেন আয়ারল্যান্ডের দুই ওপেনার। উদ্বোধনী জুটিতে আয়ারল্যান্ডের স্কোরবোর্ডে ৮৮ রান যোগ করেন এই দুই ওপেনার। বাংলাদেশকে প্রথম উইকেট এনে দেন সুমন খান। ২১তম ওভারের তৃতীয় বলে উইকেটরক্ষক আকবার আলীর হাতে ক্যাচ তুলে দেন ম্যাককুলাম। সাজঘরে ফেরার আগে ৬২ বলে ৪১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।

প্রথম উইকেটে বড় জুটি গড়ার পর দ্বিতীয় উইকেটেও বড় জুটি গড়েন প্রিটোরিয়াস এবং স্টিফেন ডোহেনি। বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক বোলিংয়ে নিয়মিত পরিবর্তন আনলেও দেখেশুনে খেলে দলীয় সংগ্রহ বড় করতে থাকেন প্রিটোরিয়াস এবং ডোহেনি। প্রথম উইকেটে ম্যাককালামের সঙ্গে ৮৮ রানের জুটি গড়ার পর দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ডোহেনিকে সঙ্গে নিয়ে ৮৫ রানের জুটি গড়েন প্রিটোরিয়াস।

সেই সাথে সেঞ্চুরির দিকেও এগোতে থাকেন এই ব্যাটসম্যান। তাঁদের জুটি ভাঙেন রাকিবুল। দলীয় ১৭৩ রানে ডোহেনিকে সাজঘরে ফেরান রাকিবুল। তিনি আউট হন ব্যক্তিগত ৩৭ রান করে। একই ওভারের শেষ বলে সাজঘরে ফেরান সেঞ্চুরির পথে থাকা প্রিটোরিয়াসকে। ব্যক্তিগত ৯০ রানে রাকিবুলের বলে বোল্ড হন তিনি। ফলে ১২৫ বলে ৯০ রান করেই থামতে হয় তাকে।

ক্রিজে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি ক্যামফারও। প্রিটোরিয়াসের বিদায়ের পর দলীয় সংগ্রহে ৭ রান যোগ করতেই শফিকুলের বলে সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে। ১৮২ রানে চতুর্থ উইকেটের পতন হলে দলের হাল ধরেন হ্যারি ট্যাক্টর। পঞ্চম উইকেট জুটিতে শেন গেটকাকে নিয়ে ৪১ রানের জুটি গড়েন। তিনি নিজেও খেলেন ২৯ বলে ৩১ রানের আগ্রাসী ইনিংস। আয়ারল্যান্ডের এই অধিনায়ককে সাজঘরে ফেরান মুকিদুল।

আয়ারল্যান্ডের অধিনায়ক বিদায় নিলেও শেষদিকে দলের রান বাড়ানোর দায়িত্ব কাঁধে নেন গেটকাটে। তার করা ২৫ বলে ২৯ এবং গ্যারেথ ডেলানির অপরাজিত ৮ বলে ১৮ রানের কল্যাণে ২৬৩ রান সংগ্রহ করে আয়ারল্যান্ড। বাংলাদেশের হয়ে দুটি করে উইকেট লাভ করেন রাকিবুল এবং সুমন খান।