SCORE

টাইগার কোচ হিসেবে সিলেট না যাওয়ার আক্ষেপ হাথুরুসিংহের

মাস কয়েক আগেও তিনি ছিলেন বাংলাদেশ দলের কোচ। সেই হিসেবে দেশের ক্রিকেটের নাড়িভুঁড়িতে ছোঁয়া আছে তার। তবে ব্যতিক্রম সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। সাড়ে তিন বছর বাংলাদেশের কোচ হিসেবে কাজ করলেও এই মাঠে এর আগে কখনও আসা হয়নি তার। এবার যখন আসলেন, তখন তিনি শ্রীলঙ্কার কোচ।

ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচও হবে সিলেটে
দর্শকে ভরপুর সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। ছবিঃ বিডিক্রিকটাইম

বাংলাদেশের হয়ে দায়িত্ব পালনের সময় এই মাঠে না আসতে পারায় আক্ষেপ ও বিস্ময় শ্রীলঙ্কা কোচের। শনিবার সংবাদ সম্মেলনে চন্ডিকা হাথুরুসিংহে বলেন, ‘আমি প্রথমবার এই মাঠ দেখছি। উইকেট এখনও শতভাগ প্রস্তুত নয়। আগামীকাল এসে দেখতে হবে উইকেট কেমন হয়। আজকে তাই উইকেট নিয়ে বেশি বলতে পারছি না। তবে মাঠটি খুবই সুন্দর। আমি বিস্মিত যে বাংলাদেশে সাড়ে তিন বছর থাকার সময় এখানে আসা হয়নি আমার।’

বাংলাদেশ দলের মতো শ্রীলঙ্কাও শনিবার স্টেডিয়ামের সেন্টার উইকেটে চালিয়েছে অনুশীলন। মূলত স্বাগতিক দল এই সুবিধা পেলেও এবার সফরকারী দলও পেল সেই সুযোগ। একে অবশ্য বাংলাদেশের আতিথ্য মানতে নারাজ হাথুরুসিংহে!

Also Read - 'হাথুরুসিংহে বেশ উঁচু মানের কোচ'

তিনি বলেন, ‘তা কেন হবে? মিরপুরে তো ওরা সেন্টার উইকেটে অনুশীলন করেছে। আমরা সেটি পাইনি! এজন্যই আমরা এখানে এই সুবিধাটা চেয়েছি, আজকে অনুশীলনের জন্য সকালে এসেছি। মিরপুরে ওরা তো তিন দিন সেন্টার উইকেটে অনুশীলন করেছে, সেটিও ফ্লাড লাইটে। আমি জানি কিন্তু! ওরা করার পর আমরা এক দিন করতে পেরেছি।

এদিকে নিজ দলের শিষ্যদের পারফরমেন্সে বেশ সন্তুষ্ট হাথুরুসিংহে। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, ক্রিকেটাররা যেভাবে সাড়া দিয়েছে, তাতে আমি খুবই সন্তুষ্ট। আমি মনে করি, এটির একটি বড় কারণ ছিল নিজ দেশের হওয়ায় ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুযোগ। ওদের সঙ্গে সহজেই যোগাযোগ করতে পারছি। ওদের জন্যও কাজটা সহজ হচ্ছে, দ্রুত সাড়া দিচ্ছে। শুরুতে একটু সময় লেগেছে। সেটি লাগাই স্বাভাবিক। তবে এরপর ছেলেরা যেভাবে সাড়া দিয়েছে, চ্যালেঞ্জের জবাব দিয়েছে, কোচ হিসেবে সেটি দেখা ছিল দারুণ।’

আরও পড়ুনঃ টি-২০ সিরিজ বাঁচানোর লড়াই রোববার

Related Articles

সিইওকে চিঠি দিয়ে বোমা ফাটালেন ম্যাথিউস

বাংলাদেশের দুর্বলতা জানেন হাথুরুসিংহে!

‘প্রতিশোধ নয়, ভালো ক্রিকেট খেলে জিততে চাই’

এশিয়া কাপ নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী হাথুরুর

হাথুরুসিংহের শিষ্যরা ‘স্কুলের বাচ্চা’!