টানা তিন জয়ের পর হারের স্বাদ পেল আবাহনী

0
565

ঢাকা প্রিমিয়ার টি-টোয়েন্টি লিগে টানা তিন জয়ের পর প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেল আবাহনী লিমিটেড। মোহাম্মদ নাঈম ও নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটিং নৈপুণ্যের পরও খেলাঘরের কাছে ৮ রানে হারল আবাহনী।

খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতি

একদিন বিরতি দিয়ে আবারো মাঠে গড়াচ্ছে ঢাকা প্রিমিয়ার টি-টোয়েন্টি লিগ। সাভারে খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতির ছুড়ে দেওয়া ১৬৫ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে আবাহনী লিমিটেড। ইনিংসের প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই আবাহনী ওপেনার মুনিম শাহরিয়ারকে সাজঘরে ফেরান মইনুল।

Advertisment

দলের বিপদ বাড়ে অধিনায়ক মুশফিকের বিদায়ে। আগের তিন ম্যাচে ব্যাট হাতে ছন্দে থাকা মুশফিক ফিরেন তৃতীয় ওভারের শেষ বলে। মইনুলের বলটি মিড উইকেটে মারতে গিয়ে স্ট্যাম্প ভাঙে মুশফিকের। তিনি বিদায় নেন ৫ বলে ৮ রান করে। বড় লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে ১২ রানে দুই উইকেট হারিয়ে খানিকটা বিপর্যয়ের মুখে পড়ে আবাহনী।

সেই বিপর্যয় থেকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন মোহাম্মদ নাঈম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। আগের তিন ম্যাচে ব্যাট হাতে রান না পেলেও ইনিংসের শুরু থেকেই বেশ ইতিবাচক ছিলেন শান্ত। শুরু থেকে শান্ত আগ্রাসী ব্যাটিং করলেও অন্যপ্রান্তে ধীরগতির ব্যাটিংই করেন নাঈম শেখ। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৮৫ রান যোগ করেন নাঈম-শান্ত জুটি। তাঁদের এই জুটি ভাঙেন রাফসান। ৩২ বলে ৪৯ রান করা শান্তকে সাজঘরে ফেরান তিনি।

শান্তর পর ফিফটির দেখা পাননি নাঈমও। দলীয় ১১৩ রানে খালেদের বলে বোল্ড হন ৪১ বলে ৪৯ রান করা নাঈম। শেষ পাঁচ ওভারে ৪৮ রানের প্রয়োজন হলে সেখান থেকে দলকে জেতানোর চেষ্টায় থাকেন আফিফ ও মোসাদ্দেক। খেলাঘরের বোলাররাও ছাড় দেয়নি আবাহনীদের। ইনিংসের শেষ ওভারে ম্যাচ জিততে আবাহনীর প্রয়োজন ছিল ১৭ রান। তবে খালেদের ওই ওভার থেকে মাত্র ৮ রান নিয়ে সক্ষম হন মোসাদ্দেক ও আফিফ।

শেষ পর্যন্ত ৮ রানে জয় পেল খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিত। ১৮ বলে ২২ রান করে অপরাজিত ছিলেন আফিফ এবং ১৯ বলে ২১ রান করেন মোসাদ্দেক। এই জয় নিয়ে টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় জয় তুলে নিল খেলাঘর সমাজ কল্যাণ।

এর আগে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতির অধিনায়ক জহুরুল ইসলাম। ব্যাট করতে নেমে ইমতিয়াজ হোসেনের ৪৬ বলে ৬৬ রান এবং মেহেদী হাসান মিরাজের ২৫ বলে ৩৩ রানের বদৌলতে স্কোরবোর্ডে ১৬৪ রানের পুঁজি দাঁড় করায় খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতি। আবাহনীর হয়ে বল হাতে দুটি করে উইকেট লাভ করেন মোসাদ্দেক ও আরাফাত সানি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :

খেলাঘর ১৬৪/৬  (২০ ওভার)

ইমতিয়াজ ৬৬, মিরাজ ৩৩, রাফসান ১৮

সৈকত ২/২৪, সানি ২/২৫

আবাহনী ১৫৬/৫ (২০ ওভার)

শান্ত ৪৯, নাঈম শেখ ৪৯

রনি ২/২৩, রাফসান ১/৫