Scores

টুইটারে ধর্মীয় বিদ্বেষের স্বীকার ইরফান, ঘৃণা বন্ধের আকুতি

 

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের কারণে সকল ধরনের ক্রিকেট আপাতত বন্ধ। আইসিসিও তাদের বিভিন্ন বাছাইপর্বের খেলা আগামী জুন মাস পর্যন্ত বন্ধ রেখেছে। এই ফাঁকা সময়ে খেলোয়াড়রা তাদের নিজ নিজ দেশের বিপদের সময়ে এগিয়ে এসেছেন। যার যতটুকু ক্ষমতা ততটুকু দিয়ে সকলেই নিজের দেশের মানুষদের সাহায্য করে যাচ্ছেন।

টুইটারে ধর্মীয় বিদ্বেষের স্বীকার ইরফান, ঘৃনা বন্ধের আকুতি

Also Read - ‘৪ থেকে ৫ কোটির মতো মধ্যবিত্ত, তাদের কি হবে?’


বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা তাদের এক মাসের অর্ধেক বেতন করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন কিছুদিন আগে। এছাড়াও নিজেদের তরফ থেকে আলাদা-আলাদাভাবে মাশরাফি বিন মুর্তজা, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও লিটন দারসহ অনেকেই সহায়তা করে যাচ্ছেন গরীব-দুঃখীদের এই বিপদের সময়। সাকিব আল হাসান নিজেও এগিয়ে এসেছেন তার সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে।

ভারতীয় ক্রিকেটাররাও বাড়িয়ে দিয়েছেন তাদের সাহায্যের হাত। ইরফান পাঠান ও ইউসুফ পাঠান সবার আগে সাহায্যে এগিয়ে আসেন। নিজের শহর বারোদাতে হাজারো গরীবকে খাদ্য সামগ্রী ও মাস্ক বিতরণ করেন এই জনপ্রিয় দুই ক্রিকেটার। কিন্তু সম্প্রতি টুইটারে টুইট করে ধর্মীয় বিদ্বেষের মুখে পড়েছেন ইরফান।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী  নরেন্দ্র মোদী ৫ তারিখ দেশব্যাপী রাত ৯ টায় ৯ মিনিটের জন্য আলো জ্বালানোর কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তাতে সাড়া দিয়ে ভারতবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। তবে কিছু জায়গায় মোমবাতি বা আলোর বদলে অনেকে পটকা ফোটানো শুরু করে। কিছু জায়গায় উৎসবও শুরু হয় লকডাউনের পরিবর্তে।

এই বিষয়টি নিয়ে অনেক সমালোচনা হয় দেশ জুড়ে। ইরফানও এর সমালোচনায় টুইটে লিখেন, “উদ্দ্যোগটি ভালোই ছিলো যখন মানুষ পটকাবাজি শুরু তার আগ পর্যন্ত।” তবে তার এই টুইট ভালোভাবে নেয়নি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনেক ভক্ত।

ধর্ম টেনে এনে অনেকেই ইরফানকে আক্রমণ করেন টুইটারে। ইরফান পাঠান নিজে সবসময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিভিন্ন উদ্দ্যোগের প্রশংসা করে থাকেন। তবে লক ডাউনে মানুষের নিয়ম ভেঙ্গে এমন উৎসব করায় তা নিয়ে নোংরা আক্রমণ দেখে চুপ থাকতে পারেননি।

নোংরা কমেন্টের স্ক্রিনশট তুলে টুইটারে এর জবাবও চান। এক ভক্ত তার প্রশংসা করে ইরফানকে এইসব নোংরা মন্তব্য এড়িয়ে যেতে বলেন। তার জবাবে ইরফান বলেন, “আমি এই সকল নোংরা মতামতে বিচলিত হইনা। যারা আমাকে চিনে তারা জানে আমি কেমন, তবে আমি চাই ঘৃণা বন্ধ হোক।”

তবে মানুষকে সাহায্য ও নিজের মতামত তুলে ধরার পরও পরিত্রাণ পাননি ইরফান। অনেক ভক্ত এই ধরনের নোংরা মন্তব্য এড়িয়ে যেতে বললেও অনেকে পাল্টা আবারও আক্রমণ করছেন নোংরা মন্তব্যকারীদের চিহ্নিত করে দেওয়ায়।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

বিদেশি লিগে খেলার অনুমতি চান ভারতীয়রা

ঘরকে মসজিদ বানানোর আহ্বান ইরফানের

ইরফানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শচীন-শেবাগদের জয়

বাংলাদেশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হরভজন-পাঠানরা

সব ধরনের ক্রিকেট থেকে ভারতীয় তারকার অবসর