ঢাকার রাস্তায় টাইগার শোয়েবের ত্রাণ ছিনতাই

0
742

করোনাভাইরাসের কারণে উপার্জন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নিম্ন আয়ের লাখো মানুষ পড়েছেন সংকটে। নিয়মিত তাদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন দেশের ক্রিকেটের আইকনিক ভক্ত শোয়েব আলী, যিনি টাইগার শোয়েব নামেও সমধিকভাবে পরিচিত। নিজের সীমিত সামর্থ্য দিয়ে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সংখ্যক ছিন্নমূল মানুষকে রান্না করা খাবার ও চাল-ডাল বিনামূল্যে সরবরাহ করেন তিনি। কোনো কোনো দিন সামর্থ্যবান মানুষও অনুদান দেন শোয়েবের কার্যক্রমে। তবে এবার ঢাকার রাস্তায় ছিনতাই হল তার ত্রাণ।

ঢাকায় টাইগার শোয়েবের ত্রাণ ছিনতাই-
এভাবেই গাড়িতে করে ত্রাণ পৌঁছে দেন শোয়েব। ছবি: ফেসবুক

উবার চালাতেন যে গাড়ি দিয়ে, সেই গাড়ি এখন ত্রাণ বিতরণের কাজে ব্যবহার করেন শোয়েব। প্রতিদিনের মত বুধবার (১৫ এপ্রিল) কমলাপুরে গিয়েছিলেন খাবার পৌঁছে দিতে। অসাবধানতাবশত গাড়ির দরজা লক করা ছিল না। তিনি গাড়ি থেকে নামার আগে ৩০-৪০ জন ছেলেপেলে গাড়ির দরজা খুলে লুটপাট করে নিয়ে যায় খাবার।

Advertisment






খাবার ছাড়া গাড়ির ভেতরে থাকা অন্যান্য জিনিসপত্রে কেউ হাত দেয়নি বলে জানান শোয়েব।

বিডিক্রিকটাইমকে শোয়েব বলেন, ‘মানুষের সংকট দিনদিন বাড়ছে। আগে যারা খাবার নিয়ে আসতো ওরা এখন আসে না। খুব কম মানুষ সহযোগিতা নিয়ে বাইরে বের হয়। কমলাপুরে গাড়িটা শুধু থামিয়েছি, সাথে সাথে ছেলেপেলে আমাকে আটকে ফেলেছে- খাবার দিয়ে দিতে হবে।’





‘গাড়িতে মোবাইলসহ সবকিছু ছিল, ওসব কিছু নেয়নি। দরজা খুলে ফেলেছে, লক করা ছিল না বুঝতে পারিনি। চাল-ডাল-খিচুড়ি যা ছিল, খাবলা মেরে নিয়ে গেল। আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিলাম। মোবাইল, ফোন কোনোকিছু ধরেনি, শুধু খাবার নিয়ে চলে গেল।’

ঢাকায় টাইগার শোয়েবের ত্রাণ ছিনতাই-

ভড়কে গেলেও করোনাভাইরাসে সৃষ্ট এমন দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে এই ঘটনাকে অস্বাভাবিক ভাবতে নারাজ শোয়েব, ‘খাবারের যে সংকট, এই সংকটে এমন হবেই। চারদিকে যে আর্তনাদ! আমি একটা পিপিই পড়ে বাইরে যাই। রাত এক-দুইটার দিকে যখন বাসায় যাই, রাস্তা ভয়ংকর হয়ে থাকে। চারদিকে শুধু কুকুরের চিৎকার। মেরে ফেলে রাখলেও কেউ বলতে পারবে না।’

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।