ঢাকায় হারার পর জীবননাশের হুমকি পেয়েছিলেন ডু প্লেসিস

বড় মঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে হেরে যাওয়া যেন দক্ষিণ আফ্রিকার অভ্যাস। সেই অভ্যাস সইতে সইতে ভক্তকুলও ক্লান্ত। তাই তো প্রোটিয়াদের নাম পড়েছে ‘চোকার্স’। এমনই এক অবিশ্বাস্য পরাজয়ের পর ফাফ ডু প্লেসিসকে পেতে হয়েছিল প্রাণনাশের হুমকি।

ঢাকায় হারার পর জীবননাশের হুমকি পেয়েছিলেন ডু প্লেসিস
মিরপুরের উইকেটে ব্যাট হাতে সেদিন ৩৬ রান করেছিলেন ডু প্লেসিস। ফাইল ছবি

২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার যাত্রা থামে কোয়ার্টার ফাইনালে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসরের তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল গ্রায়েম স্মিথের দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই ম্যাচের ভেন্যু ছিল মিরপুরের ‘হোম অব ক্রিকেট’ খ্যাত শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম।

Advertisment

হাই ভোল্টেজ ম্যাচে কিউইরা আগে ব্যাট করে জড়ো করেছিল ২২১ রান। কিন্তু জ্যাক ক্যালিস, এবি ডি ভিলিয়ার্সরা উইকেটে থিতু হতে না পারায় ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে প্রোটিয়ারা। শেষপর্যন্ত ১৭২ রানে গুটিয়ে গেলে বরণ করে নিতে হয় ৪৯ রানের পরাজয়।

সেই পরাজয়ের পর ফাফ ডু প্লেসিস ও তার স্ত্রীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। ১০ বছর পর সেই দুঃসহ ঘটনার স্মৃতিচারণ করেছেন ডু প্লেসিস নিজেই।

তিনি বলেন, ‘ঐ ম্যাচ শেষে আমি প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছিলাম। শুধু আমাকে হুমকি দিয়েই থেমে থাকেনি, আমার স্ত্রীকেও তারা একই হুমকি দিয়েছিল।’

ডু প্লেসিস জানান, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এভাবে হুমকি দিতে দেখে আমরা বাকরুদ্ধ হয়ে যাই। আরও কিছু আক্রমণাত্মক কথা আমাদের বলা হয়েছিল যা এখন মনে না করাই শ্রেয়।’ 

জীবননাশের হুমকি পাওয়ার পর থেকে ডু প্লেসিস কারও সাথে দেখা করার ক্ষেত্রে চোখ কান খোলা রাখেন। নিজেকে অনেকটা গুটিয়ে নিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

‘ঐ হুমকির পর আমি ও আমার স্ত্রী নিজেদের অনেক গুটিয়ে নিই। পরিচিত মানুষ ছাড়া অন্য কারও সাথে দেখাসাক্ষাৎ বন্ধ করে দেই। নিজেদের তথ্য প্রকাশও বন্ধ করে দেই। ক্যাম্প ও অনুশীলন চলাকালেও নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলাম।’– বলেন ডু প্লেসিস।