Scores

তবুও ভাইকিংসকে নিয়ে খুশি মুশফিক

এলিমিনেটর ম্যাচে হেরে মন ভেঙেছে চিটাগং ভাইকিংস সমর্থকদের। তবে দলটির সমর্থকরা একদিক থেকে খুশিও হতে পারেন!

তবুও ভাইকিংসকে নিয়ে খুশি মুশফিক
এলিমিনেটর ম্যাচেই থামলো চিটাগং ভাইকিংস ও মুশফিকুর রহিমের ষষ্ঠ বিপিএলের যাত্রা। ফাইল ছবি

ফ্র্যাঞ্চাইজিদের টানাপড়েনে এবার চিটাগং ভাইকিংস বিপিএলে অংশ নেওয়ারই কথা ছিল না। রীতিমত বোর্ডের অনুরোধেই শেষ পর্যন্ত দল গঠন করে চিটাগং। সেই চিটাগং গত বিপিএলে প্রতিপক্ষদের কাছে পাত্তাই পায়নি। এবার তো হচ্ছে না দলই… এমন অবস্থায় আসরে অংশ নিয়ে শেষ তিনে থেকে লিগ শেষ করা- এও বা কম অর্জন নাকি?

ঢাকা ডায়নামাইটসের কাছে হেরে দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম হারের কারণ খোঁজায় খুব বেশি মনোযোগ দিলেন না। বরং দলের প্রশংসা করে প্রত্যাশা করলেন আগামী আসরেও চিটাগংয়ের জার্সি গায়ে ফেরার।

ম্যাচ শেষে আনুষ্ঠানিক আলাপচারিতায় মুশফিক বলেন, ‘ভালো একটি যাত্রা ছিল। তবে ঢাকার বিপক্ষে ম্যাচটিতে আমাদের সেরাটা দিতে পারিনি।’

Also Read - টিকে রইল ঢাকা, চিটাগংয়ের বিদায়


তিনি মনে করেন, এদিন চিটাগং ভাইকিংস যে সংগ্রহ (১৩৫) দাঁড় করিয়েছে তার চেয়ে আরও ২০-২৫ রান বেশি করলে ম্যাচ জেতার সুযোগ ছিল। মুশফিকের ভাষ্য, প্রয়োজনের তুলনায় আমরা ২০-২৫ রান কম করেছি। ১৬০ রানের মত করতে পারলে ঢাকার কাছে সেটি চ্যালেঞ্জিং হতো।’

আমরা আজ অনেক উইকেট হারিয়েছি। কোনো বড় পার্টনারশিপও হয়নি। ছোট সংগ্রহ নিয়ে ম্যাচ জিতে যাওয়া কঠিন, তাই বোলারদেরও দোষারোপের কিছু নেই।’ -বলেন মুশফিক।

লিগ পর্বে চিটাগং ভাইকিংসের পারফরম্যান্স ছিল দারুণ। ঘরের মাঠে অর্থাৎ চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে পা ফসকানোর আগে দলটি ছিল পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে। এলিমিনেটর ম্যাচে বাজে পারফরম্যান্সে হারতে হলেও মুশফিক দলের সার্বিক পারফরম্যান্সে খুশি।

তিনি বলেন, আমাদের দলে অনেক তরুণ ক্রিকেটার ছিল যারা বিশ্বকে দেখিয়েছে তারা কী করতে পারে। এই পর্যন্ত আমরা যেভাবে খেলেছি তাতে আমি খুশি। আশা করি আগামী আসরেও আমরা খেলবো এবং শিরোপা জিতব। ফাইনালের দল দুটির জন্য শুভকামনা রইল।’

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

চিটাগং ভাইকিংসের মালিকানা নিচ্ছেন না আকরাম খান ও আ জ ম নাছির

বিপিএলে থাকছে না চিটাগং ভাইকিংস

টি-টোয়েন্টির জন্য নির্বাচকদের ভাবনায় রাব্বি!

খালেদের বোলিং দেখে মুগ্ধ মরিসন

সুযোগ পেয়েও ব্যর্থ আশরাফুল