Scores

তানবীর-সোহানের নৈপুণ্যে উড়ে গেল মোহামেডান

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের সুপার লিগের ম্যাচে মোহামেডানকে উড়িয়ে দিয়েছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। ফতুল্লার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে শেখ জামাল জয় পেয়েছে ৭ উইকেটের ব্যবধানে।

তানবীর-সোহানের নৈপুণ্যে উড়ে গেল মোহামেডান

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে মোহামেডান। লিটন দাস ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিলেও ইরফান সুক্কুর, অভিষেক মিত্র, রকিবুল হাসানের মত তিনিও দ্রুত ফেরেন সাজঘরে, তবে তার আগে সংগ্রহ করেন ২৬ রান।

Also Read - অভিজ্ঞতার বিচারে বিশ্বকাপে যে দল যত এগিয়ে


 

 

মিডল অর্ডারে দলের হাল ধরেন তুষার ইমরান। অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যানকে অবশ্য যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি কেউই। তুষারের ৫৬ রানের পাশাপাশি মোহাম্মদ আশরাফুলের ২১ ও রাহাতুল ফেরদৌসের ১৬ রানের ইনিংস দলকে এনে দেয় ১৫৯ রানের পূঁজি। যদিও ৫.২ ওভার বাকি থাকতেই সবকটি উইকেট হারায় মোহামেডান।

শেখ জামালের পক্ষে লেগ স্পিনার তানবীর হায়দার একাই শিকার করেন চারটি উইকেট। এছাড়া খালেদ আহমেদ দুটি এবং নাসির হোসেন, তাইজুল ইসলাম, ইলিয়াস সানি ও এনামুল হক একটি করে উইকেট শিকার করেন।

তানবীতানবীর-সোহানের নৈপুণ্যে উড়ে গেল মোহামেডান র-সোহানের নৈপুণ্যে উড়ে গেল মোহামেডান

জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নামা শেখ জামাল শুরুতেই ইলিয়াস সানি ও তাইজুল ইসলামকে হারিয়ে বসে। দুই ‘নাইটওয়াচম্যান’কে হারালেও দলের বিপদ ঘটতে দেননি ইমতিয়াজ হোসেন ও অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। তৃতীয় উইকেটে দুজনের ১২০ রানের জুটি দলকে এনে দেয় জয়ের ভিত।

সোহান ৮৫ বলের মোকাবেলায় ৮৩ রান করে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়লেও ৫৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইমতিয়াজ। শেষদিকে দিলশান মুনাবীরার ১৫ রানের অপরাজিত ইনিংস দলকে ৭ উইকেট ও ৯৯ রান বাকি থাকতেই সহজ জয় তুলে নিতে সাহায্য করে।

মোহামেডানের পক্ষে একটি করে উইকেট শিকার করেন শফিউল ইসলাম, সোহাগ গাজী ও সাকলাইন সজীব।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ১৫৯ (৪৪.৪ ওভার)
তুষার ৫৬, লিটন ২৬, আশরাফুল ২১
তানবীর ১৬/৪, খালেদ ৩২/২, নাসির ২০/১

শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব ১৬৩/৩ (৩৩.৩ ওভার)
সোহান ৮৩*, ইমতিয়াজ ৫৪
শফিউল ১২/১, সোহাগ ২২/২

ফল: শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব ৭ উইকেটে জয়ী।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

উপেক্ষিত থাকছেন না ডিপিএলের পারফর্মাররা

সৌম্যকে যেভাবে সাহায্য করেছেন জাফর

ওয়াসিম জাফরের পরামর্শ কাজে লাগানোর প্রত্যাশা

তাণ্ডবের আগে ‘নার্ভাস’ ছিলেন সৌম্য

গর্বিত ‘অধিনায়ক মোসাদ্দেক’, কৃতিত্ব মাশরাফিকে