Scores

তামিমদের দায়িত্ব ‘একশ’ আর লিটনদের ‘দশ’, এমন বৈষম্যে আপত্তি সুজনের

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে থাকবেন না দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। সেই সাথে এই সিরিজে থাকার সম্ভবনা নেই আরেক অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহরও। দুই সিনিয়র না থাকায় বাড়তি চাপ থাকবে তামিম-মুশফিকের উপরই। তবে খালেদ মাহমুদ বলছেন সিনিয়দেরই বা কেন সবসময় দায়িত্ব নিতে হবে?

দলে সিনিয়র-জুনিয়রদের দায়িত্ব ‘এক’ বলে মনে করেন সুজন। ছবিঃ এএফপি

চাপের মুখে ভেঙে পড়েন বাংলাদেশ দলের তরুণ ক্রিকেটাররা। শেষ পাঁচ-ছয় বছরে বাংলাদেশ যতগুলো ম্যাচ জিতেছে তার বেশিরভাগ সময়েই অবদান রয়েছে সিনিয়রদের। আসন্ন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে থাকবেন না সাকিব। আইপিএলে ব্যস্ত থাকায় লঙ্কা সফরে দলের সঙ্গে দেখা যাবে না তাকে। অন্যদিকে তার বিকল্প কে হবে সেটি নিয়ে ভাবছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

সাকিব না থাকা যে একজন বাড়তি ব্যাটসম্যান এবং বোলার খেলানো- সেটি মনে করিয়ে দিলেন আসন্ন লঙ্কা সফরে বাংলাদেশের টিম লিডারের দায়িত্বে থাকা খালেদ মাহমুদ। তবে তিনি এটিও মনে করিয়ে দিলেন আজীবন তো সাকিব-মুশফিকরা জাতীয় দলে খেলবেন না।

Also Read - শ্রীলঙ্কা সফরে টাইগারদের 'টিম লিডারের' দায়িত্বে সুজন


“সাকিব নেই.. এটা তো সবচেয়ে বড় ধাক্কা আমাদের জন্য। সাকিব সবসময় দলে ভারসাম্য এনে দেয়। সাকিব থাকা মানে একজন বাড়তি ব্যাটসম্যান পাওয়া, একজন বাড়তি বোলার পাওয়া সাথে আবার একজন বাড়তি ব্যাটসম্যান-বোলার খেলাতে পারি। কিন্তু সারাজীবন তো সাকিব, মাশরাফি, মুশফিক, রিয়াদ, তামিম খেলবেনা। একটা সময় রফিক খেলত, হাবিবুল বাশার সুমন ছিল, নাইমুর রহমান খেলেছে। এক সময় তামিমরাও খেলবে না। তার মানে এই না যে বাংলাদেশ আটকে থাকবে না, চলতে তো হবে। সাকিব দলে থাকলে তো আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় পাওনা। ও যেহেতু খেলছে না তার বিকল্প যেই আছে তাঁদের নিয়ে ফাইট করতে হবে।”

সাকিব-রিয়াদ না থাকায় তামিম, মুশফিকদের উপরই বাড়তি চাপ থাকবে। তবে সুজনের আপত্তিটা এখানেই। দলের মধ্যে সিনিয়র-জুনিয়রদের দায়িত্ব ‘ভাগে’ বড্ড আপত্তি তার। সুজনের চোখে সিনিয়র-জুনিয়র- সবারই দায়িত্ব সমান। আর তাই তিনি মনে করেন তামিমদের পাশাপাশি লিটনদেরও দায়িত্ব নেওয়া শিখতে।

“যারাই আছে তারা যে ক্যাপাবল না ব্যাপারটি তেমন না। তারাও অনেক ম্যাচ ভালো খেলেছে, ম্যাচ জিতিয়েছে। দলে সিনিয়র-জুনিয়র সবাকেই দায়িত্ব নিতে হবে। এটা কোন সিনিয়র-জুনিয়রের খেলা না। আপনি যখন জাতীয় দলকে প্রতিনিধিত্ব করবেন তখন সিনিয়র-জুনিয়র, সবারই সমান দায়িত্ব থাকে। এর মানে এই না যে তামিমের দায়িত্ব থাকবে ‘একশ’ আর লিটনের দায়িত্ব ‘দশ’। আমি মনে করি তামিম, লিটন- দুজনেরই দায়িত্ব ‘একশ’। আপনি এখানে তুলনা করতে পারবেন না। লিটনের মতো অনেকেই পাঁচ-ছয় বছর ধরে খেলছে। কেন সবসময় সিনিয়রদের দায়িত্ব নিতে হবে? তুমিও তো দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানে একলা কেউ ম্যাচ জেতাবে এমন চিন্তা করা যাবে না। আমাদের এগারোজনকে কাঁধে হাত মিলিয়ে লড়তে হবে।”

Related Articles

কোয়ারেন্টিনের ভালো দিকও দেখছেন সুজন

আক্রমণাত্মক ও ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে চায় বাংলাদেশ

ক্রিকেটারদের চেষ্টা ও নিবেদনের কমতি দেখছেন না সুজন

তিশার সাথে মিউজিক ভিডিওর গল্প শোনালেন সুজন

শেষ কামড় দেওয়ার মত লড়াই চান সুজন