তামিমের উড়ন্ত শুরুর পর হঠাৎ ছন্দপতন বাংলাদেশের

0
301

ঢাকা টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ছুঁড়ে দেওয়া ২৩১ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে তামিম ইকবালের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে উড়ন্ত শুরু পায় বাংলাদেশ। চা-বিরতির আগে ৩টি উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এই ম্যাচ জিততে বাংলাদেশের প্রয়োজন আরও ১৫৩ রান।

Advertisment

নাঈম-তাইজুলের বোলিং নৈপুণ্যে দ্বিতীয় সেশনের শুরুর দিকে ১১৭ রানেই গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফলে বাংলাদেশের লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায় ২৩১ রানে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দলকে দারুণ শুরু এনে দেন দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার তামিম ইকবাল। মিরপুরের উইকেটে স্পিন ভালোভাবে ধরার আগেই শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করেন তামিম। অন্যদিকে আগ্রাসী তামিমকেও বেশ ভালোভাবে সঙ্গ দেন সৌম্য সরকার।

একদিকে তামিম যখন আগ্রাসী ব্যাট করেন অপরপাশে তার বিপরীত ছিলেন সৌম্য। তামিমের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে উদ্বোধনী জুটিতে ‘৫০’ রান উঠতেও বেশি সময় লাগেনি। তাদের জুটি দলকে ভালো কিছুর আশা দেখাচ্ছিল। কিন্তু এই জুটি ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রথম উইকেট এনে দেন দলের অধিনায়ক ক্রেগ ব্র্যাফেটই। ১২.১ ওভারে ব্র্যাফেটের বল সৌম্য ক্যাচ তুলে দেন স্লিপে থাকা কর্ণওয়েলের হাতে।

ফলে ৩৪ বলে ১৩ রান করেই থামতে হয় তাকে। সৌম্য বিদায় নিলেও নিজের স্বভাবজাত ব্যাটিংটাই করেন তামিম। ব্যাট হাতে ফিফটি তুলতেও বেশি সময় নেননি তিনি। ১৫.১ ওভারে কর্ণওয়েলের বলে এক রান নিয়ে মাত্র ৪৪ বলেই ফিফটি তুলে নেন এই ওপেনার। সেই সাথে ঘরের মাঠে দীর্ঘ ১১১০ দিন পর ফিফটির দেখা পান তিনি। ঘরের মাঠে সর্বশেষ ফিফটি করেছিলেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

অবশ্য দারুণ খেলতে থাকা তামিম তার ইনিংসকে বড় করতে পারেননি। ফিফটি হাঁকানোর দুই বলের মাথায় সাজঘরে ফিরেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দ্বিতীয় উইকেটও এনে দেন দলটির অধিনায়ক ব্র্যাফেট। চা-বিরতির আগে বাংলাদেশের শিবিরে আফসোস হিসেবে যোগ হয় শান্তর উইকেট। ৩১ বলে ১১ রান কর্ণওয়েলের বলে বিদায় হন তিনি।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

ওয়েস্ট ইন্ডিজ (১ম ইনিংস) ৪০৯ (বনার ৯০, জশুয়া ডা সিলভা ৯২: আবু জায়েদ ৪-৯৮

বাংলাদেশ (১ম ইনিংস) ২৯৬ (লিটন ৭১, মিরাজ ৫৭, মুশফিক ৫৪ঃ কর্ণওয়েল ৫-৭৪

ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২য় ইনিংস)  ১১৭ (বনার ৩৮, জশুয়া ডা সিলভা ২০ঃ তাইজুল ৪-৩৬

বাংলাদেশ (২য় ইনিংস) ৭৮-৩ (তামিম ৫০, সৌম্য ১৩, শান্ত ১১: ব্র্যাফেট ২-১২