তামিম-রিয়াদদের বিপক্ষে নাসুম-মিরাজদের দাপুটে জয়

0
1671

তারকাবহুল মিনিস্টার ঢাকাকে ৩০ রানে পরাজিত করল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। আগে ব্যাট করে ব্যাটারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় চট্টগ্রাম সংগ্রহ করে ৮ উইকেটে ১৬১ রান। তামিম ইকবালের অর্ধশতকের পরও ঢাকা থামে ১৩১ রানে।

নাসুমের স্পিন ভেলকিতে ঢাকাকে হারাল চট্টগ্রাম
রানে জিতেছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স

টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ক্যারিবিয়ান ব্যাটার কেনার লুইস ৯টি বল মোকাবেলা করেও মাত্র ২ রান করে বিদায় নেন। আফিফ হোসেনকে নিয় দ্বিতীয় উইকেটে ঝড়ো জুটি গড়েন উইল জ্যাকস। ২৪ বলে ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করেন ইংলিশ ব্যাটার জ্যাকস। তবে দুই বার জীবন পেয়েও আফিফ থামেন ১২ বলে ১২ রানে।

Advertisment

৫৬ রানে ৩ উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। চতুর্থ উইকেটে ৩৩ বলে ৪৪ রানের জুটি গড়েন মিরাজ ও সাব্বির। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের প্রথম বলেই নিজের ভুলে ক্যাচ তুলে দিয়ে আউট হন মিরাজ। চট্টগ্রামের অধিনায়ক করেন ২৫ বলে ২৫ রান। তার উইলো থেকে আসে চারটি চার।

১৭ বলে ২৯ রানের দ্রুত ইনিংস খেলেন তিনি। রুবেল হোসেনের এক দুর্দান্ত ডেলিভারিতে পুরোপুরি পরাস্ত হয়ে আউট হন সাব্বির। তার ব্যাট থেকে আসে দুইটি করে চার ও ছক্কা। একই ওভারে শামীম হোসেনকেও শিকার করেন রুবেল। থার্ড ম্যানে আন্দ্রে রাসেলের তালুবন্দী হয়ে ফেরেন শামীম।

শেষে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন বেনি হাওয়েল। ১৯ বলে ৩৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। হাঁকান একটি চার ও তিনটি ছক্কা। নাসুম আহমেদ অপরাজিত থাকেন ৯ বলে ৮ রান করে। নির্ধারিত ২০ ওভারে চট্টগ্রাম সংগ্রহ করে ১৬১ রান।

দোষ পিচের না, নিজেদেরই ব্যাটিং ব্যর্থতা- বললেন মিরাজ
১৯ বলে ৩৭ রান করেন বেনি হাওয়েল

ঢাকার পক্ষে রুবেল হোসেন তিনটি উইকেট শিকার করেন। ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন তিনি। এছাড়া একটি করে উইকেট পান ইসুরু উদানা, রিয়াদ, আরাফাত সানি ও শুভাগত হোম।

চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঝড়ো শুরু করেন তামিম। অপরপ্রান্তে দর্শক হয়েই ছিলেন মোহাম্মদ শাহজাদ। মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধর শিকার হয়ে দলীয় ৪৬ রানে বিদায় নেন শাহজাদ, করেন ১১ বলে ৯ রান। জহুরুলকে নিয়ে ঢাকাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে টানা দ্বিতীয় অর্ধশতক হাঁকান তামিম। বিপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান শিকারে মুশফিকুর রহিমকে টপকে তিনি বসেছেন শীর্ষে।

প্রথম ওভারে ১৫ রান খরচ করা শরিফুল ইসলাম দ্বিতীয় স্পেলে দারুণভাবে ফিরে আসেন। নিজের দ্বিতীয় ওভারে মাত্র ২ দিয়ে দুইটি উইকেট নেন শরিফুল। তামিমকে বোল্ড করেন এই বাঁহাতি পেসার। ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৪৫ বলে ৫২ রান করেন তামিম। সেই ওভারেই জহুরুলও সাজঘরে ফেরেন।

তামিম-রিয়াদদের বিপক্ষে নাসুম-মিরাজদের দাপুটে জয়
৪৫ বলে ৫২ রান করেন তামিম ইকবাল

চারে নেমে নাঈম শেখ ৬ বলে ৪ রান করে নাসুমের পরে পরাস্ত হয়ে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দেন। একই ওভারে রিয়াদকেও শিকার করেন নাসুম। ৮৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ঢাকা। এক চার ও এক ছক্কা হাঁকিয়ে রাসেল কিছুটা উত্তাপ ছড়ালেও নাসুম আবার বোলিংয়ে এসে তাকেও শিকার করেন। ১০ বলে ১২ রান করেন রাসেল।

৯৬ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর ঢাকা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। ৯ বলে ১৬ রানের ছোট ঝড় তুলে শরিফুলের বলে ক্যাচ দেন ইসুরু উদানা। সেই ওভারেই কোনো বল না খেলেই রান-আউট হন আরাফাত সানি। পরের বলেই ক্যাচ আউট হন শুভাগত। শরিফুলের এক ওভারেই তিনটি উইকেট হারায় ঢাকা।

১ বল বাকি থাকতেই ১৩১ রানে অল-আউট হয় ঢাকা। ৩০ রানের জয় পেয়েছে চট্টগ্রাম। নাসুম চার ওভারে মাত্র ৯ রান খরচ কর নেন তিনটি উইকেট। ৩৪ রান খরচ করে চারটি উইকেট পান শরিফুল।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ১৬১/৮ (২০ ওভার)
জ্যাকস ৪১, হাওয়েল ৩৭, সাব্বির ২৯, মিরাজ ২৫
রুবেল ৩/২৬।

মিনিস্টার ঢাকা ১৩১/১০ (১৯.
তামিম ৫২, উদানা ১৬, শুভাগত ১৩, রাসেল ১২, রিয়াদ ১০;
নাসুম ৩/৯, শরিফুল ৪/৩৪।

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনের চ্যাটে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime Crickey সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

বিডিক্রিকটাইমের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি।